Tagged: বাংলায় ব্লগিং

ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে সাহিত্যের মূল স্রোতে কি মিশতে পারছেন অনলাইন লেখকরা?

Capture

 

নক্ষত্র ব্লগঃ শুভেচ্ছা আপনার জন্য! কেমন আছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ধন্যবাদ। ভালো আছি ঈশ্বরের কৃপায়।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ, ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে সম সাময়িক লেখালেখি নিয়ে আপনার কি মতামত ?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: একটা সময় ছিলো যখন কোন সৃজনশীল লেখা প্রকাশিত হবে কিনা, তা সম্পাদকের মেজাজের ওপর নির্ভর করতো। জীবন-সায়াহ্নে এসে নিজ লেখার মর্যাদা পেয়েছেন অথবা মৃত্যুর পর তার লেখা প্রকাশিত হয়ে মরনোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন, আমাদের সমাজে এমন দৃষ্টান্তও আছে। কিন্তু এখন আমরা আছি অবাধ মত-প্রকাশের যুগে। মতপ্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালি এবং লেখক-বান্ধব মাধ্যম হলো ব্লগ বা ব্লগিং, সাম্প্রতিক কালে যার সংজ্ঞা ও ব্যবহার বিশালভাবে বিস্তৃত হয়েছে। তবে সবকিছুরই ভালো-মন্দ দিক আছে। মুক্তবাণিজ্যে যেমন প্রতিযোগিতা বেড়ে যায় এবং মানসম্পন্ন পণ্যই টিকে থাকে, তেমনি মুক্ত-প্রকাশের এ সময়ে ভালো এবং মান-সম্পন্ন লেখাই টিকে থাকবে আর সফল হবে। সারভাইভাল অভ দ্য ফিটেস্ট!

 

নক্ষত্র ব্লগঃ বর্তমানে ব্লগ, ফেসবুকসহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে যারা লিখছেন তাদের মাঝে কাদের লেখা আপনার কাছে ভালো লাগে?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অনেকের লেখাই ভালো লাগে। যাদের লেখা ভালো লাগে, তাদের ব্লগীয় আচরণ খুবই নেতিবাচক। ফলে তারা পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছেন না। তাদের লেখার প্রতি সম্মান হেতু নামগুলো উল্লেখ করতে চাই না। এখানে প্রবাসীদের সংখ্যাটি উল্লেখ করার মতো। মাঝে মাঝে মনে হয় যারা প্রবাসে থাকেন, গণতন্ত্র স্বদেশ ঐতিহ্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিপীড়িত মানুষের পক্ষে আঙ্গুল চালনায় তাদেরই সাহস বেশি। এর পেছনেও কারণ থাকতে পারে!

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে যারা লিখছেন তাদের সমাজের প্রতি কতটুকু দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করেন? তারা কি তা পালন করছে বলে মনে করেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: তাদের দায়বদ্ধতা নানা কারণেই বেশি। আমার মতে, তারা তা অনেকটাই পালন করছেন। এধারা বজায় রাখতে একটি সুস্থ ব্লগসাইটের খুবই প্রয়োজন আজ। এবিষয়ে অনেক কিছুই বলার আছে, যা এখানে বলে শেষ করা যাবে না।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ সাম্প্রতিক সময়ের লেখক/ব্লগারদের মাঝে কাদেরকে আপনি প্রতিশ্রুতিশীল বলে ভাবছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ২০০৫, ২০০৬ বা ২০০৭ এর পোস্টগুলো দেখে আমি অনেক চমৎকৃত হই। পোস্টগুলো কালের সাক্ষী হয়ে যুগ-যুগান্তরে ভেসে ওঠবে কমমিউটারের পর্দায়। আমাদেরকে মনে রাখা প্রয়োজন যে, ব্লগাররা নিজের সময় ও অর্থকে খরচ করে, কোন বিনিময়ের আশা না করেই লিখে যাচ্ছেন। তারা লিখে যাচ্ছেন আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছেন একেকটি পদচিহ্ন। তাই সাধারণভাবে সকল ব্লগারকেই প্রতিশ্রুতিশীল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। টিকে থাকা বা নিয়মিত লিখে যাবার প্রশ্নে প্রতিশ্রুতিশীল ব্লগারের সংখ্যা খুব কম বলতে হয়। কিন্তু সম্প্রতি ব্যক্তিগত, প্রযুক্তিগত বিষয়ে এবং সংবাদ ও তথ্যভাণ্ডার হিসেবে বাঙলা ব্লগের সংখ্যা বাড়ছে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগকে বলা হচ্ছে বিকল্প মিডিয়া? এই বিষয়ে আপনার কি মত?

মাঈনউদ্দিন মইনুল:  ‘বিকল্প’ গণমাধ্যম তো বটেই, কিছুদিনের মধ্যেই এটি হবে একমাত্র গণমাধ্যম।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার পড়া সবশেষ পোষ্ট কোনটি এবং তা কোন ব্লগে পড়েছেন?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: আমাদের ছুটি ব্লগে আন্দামান ভ্রমণ

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগে ফেসবুকে লেখকদের লেখার মান কেমন বলে মনে করেন আপনি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: উন্নত, মাঝারি এবং নিম্ন সব মানের লেখাই ব্লগে আছে। লেখা যত উন্নত, লেখকের সংখ্যাও তত কম। নিম্নমানের লেখাই ব্লগে বেশি, এর কারণ হলো নবীন এবং লক্ষ্যহীন ব্লগারের উপস্থিতি। তবে পাবলিক ব্লগে একে নেতিবাচক হিসেবে আমি দেখছি না। অনেকেই লেখতে লেখতে পড়া শিখছেন, এবং তাতে তাদের লেখারও উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নত লেখা কম হলেও সমস্যা ছিলো না, যদি সেগুলো নিয়মিত প্রকাশিত হতো। ভালো লেখেন এরকম ব্লগাররা অনিয়মিত। তাৎপর্যপূর্ণ আন্তঃযোগাযোগ এবং মিথষ্ক্রিয়া বৃদ্ধি করতে পারলে আর ব্লগকে সৃজনশীল এবং প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের আড্ডাস্থল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে, ভালো লেখকদের সংখ্যা যেমন বাড়বে, তেমনি বাড়বে নবীন লেখকদের লেখার মান।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ ব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে সাহিত্যের মুল স্রোতে কি মিশতে পারছেন লেখক ব্লগাররা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: পত্রিকার মাধ্যমেই সাহিত্যের প্রথম প্রকাশ এবং ‘প্রথম প্রাপ্তি’ হয় – বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটিই হয়ে এসেছে দীর্ঘ দিন থেকে। পত্রিকা প্রকাশের মাধ্যমটি কিন্তু আজ বিবর্তিত রূপ নিয়েছে। সকলেই জানেন যে, দেশের সবগুলো পত্রিকা এখন গুরুত্বসহকারে অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করে। নিয়মিত আপডেটও করে। এমন পরিস্থিতিতে সাহিত্যের ‘মূল’ স্রোত অবশেষে কোনটি হয়, সে নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের বহুল প্রসারে প্রিন্ট মাধ্যমের সাহিত্য ‘মূল ধারাটিকে’ কতটুকু ধরে রাখতে পেরেছে বা পারবে, সেখানে প্রশ্ন আছে। সাহিত্যের প্রথাগত সংজ্ঞায়ও পরিবর্তন আসন্ন। অতএব অবশেষে ‘কার স্রোতে কে মেশে’ বলা মুশকিল।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ সম্প্রতি ব্লগারদের লেখা বিভিন্ন সংকলন/বই প্রকাশিত হচব্লগ ফেসবুক সহ ভার্চুয়াল মাধ্যমে লেখালেখি করে আসছে। এ বিষয়ে আপনার অবস্থান জানতে চাই।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: যতদিন পর্যন্ত ব্লগ বা ইন্টানেটে প্রকাশিত লেখাগুলো ‘একমাত্র নির্ভরযোগ্য’ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা না পাচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত বই/সংকলন ছাপানো যেতে পারে। পৃথিবীর সকল তথ্য ও সাহিত্য এখন চলে আসছে কমপিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে। ব্যক্তিগতভাবে আমি ব্লগেই থেকে যাবার পক্ষপাতি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ একটি ব্লগ এবং ব্লগারদের ইতিবাচক দিক কোনটি বলে মনে করেন আপনি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: প্রশ্নটি বেশ জটিল, কারণ এর বিভিন্ন উত্তর হতে পারে। এবিষয়ে বিভিন্ন লেখায় অনেক কথা বলেছি। এখানে শুধু এটুকুই বলতে চাই: ব্লগ এবং ব্লগারদের প্রত্যাশিত ইতিবাচক দিকটি হলো, সকল ধারার পাঠক-লেখকের সাথে মিশতে পারা এবং ভিন্নমতের সাথে সহাবস্থান করতে পারা। এটি অক্ষুণ্ন থাকলে বাঙলা ব্লগ আরও এগিয়ে যাবে অদূর ভবিষ্যতে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার শৈশব কোথায় কেটেছে? পারিবারের কথা এবং শিক্ষাজীবন নিয়ে কিছু কথা জানতে চাই।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: শৈশব কেটেছে কিশোরগঞ্জের মেঘনা পাড়ে আর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। একক পরিবারে আমরা দু’কন্যার জনক ও জননী। শিক্ষা জীবনের অধিকাংশ কেটেছে ঢাকায়। প্রথমে ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করি ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে। গ্রামীণ শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে ব্যাপ্ত ছিলাম বিগত কর্মজীবনের অধিকাংশ সময়। বর্তমানে ২০,০০০ শিশুর শিক্ষা ও বেড়ে ওঠার অধিকার নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার জীবনের আনন্দময় স্মৃতি কোনটি যা মনে হলে এখনো আপনার ভালো লাগে।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অনেকগুলো। এমুহূর্তে উল্লেখযোগ্যটি মনে করা কঠিন। ২০০৭ সালে ব্রিটিশ কাউন্সিলের স্পনসরশিপে কাজাখস্তানে একটি সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্মৃতিটুকু বেশ আনন্দময় ছিলো। কারাখস্তান স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও এখনও সেখানে সোভিয়েত রাশার জৌলুস দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আলমাতি শহরটি পর্বত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে পরিপূর্ণ।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ প্রিয় বই এর নাম?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: এখানেও দু’একটি বলে শেষ করা যায় না। শুধু উল্লেখযোগ্য একটির নাম হলো: ক্রিস্টোফার মারলো’র ডক্টর ফস্টাস। মন্দের বিপক্ষে মানুষের আত্মিক যুদ্ধের একটি চমৎকার ছবি। এর প্লট ও ডায়ালগগুলো আমি পনের বছর পরও স্পষ্ট মনে করতে পারি।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ আপনার প্রিয় লেখক কারা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: প্রিয় লেখক বলা আর প্রিয় রাজনৈতিক দল বলা এখন একই রকম ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু রাজনীতিতে নয়, বই পড়াতেও এখন পলিটিক্স ঢুকে গেছে! রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলকে নিয়ে এখানে ব্যক্তিগত ঝগড়া হতে পারে। আমার প্রিয় লেখকেরা কারও কারও চোখে বিতর্কিত। তাই স্বদেশের অনেক প্রিয় লেখকের নাম বলা থেকে বিরত থাকলাম। প্রিয় কবিদের মধ্যে আছেন শামসুর রাহমান ও রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। আছেন নিমুলেন্দু গুণ। ছাত্র জীবনে আমি ব্রিটিশ লেখক রবার্ট ব্রাউনিং, টেনিসন, কোলরিজ এবং মার্কিন লেখক আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ওয়াল্ট হুইটম্যান ও রবার্ট ফ্রস্ট-এর ভক্ত ছিলাম। চলমান জীবনে স্বার্থপরের মতো পেশাগত বই পড়ে যাচ্ছি। তাছাড়া ব্লগারদের লেখা, বিশেষত যারা নবীন, তাদের পোস্ট পড়া আমার প্রিয় অভ্যাস, যদিও সবসময় মন্তব্য দেই না।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ অবসর সময়ে আপনি নিশ্চয় সিনেমা দেখেন। আপনি কি জানাবেন আপনার প্রিয় মুভী/সিনেমার নামগুলো?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অবসরে খবর দেখি – বেশিরভাগই ‘বেখবর’! খুব বেশি সিনেমা দেখার সময় হয় না। তারে জামিন পার, রাং দে বাসান্তি, পা, থ্রি ইডিয়টস দেখে দারুনভাবে উপভোগ করেছি। দেশের চলচ্চিত্রে শঙ্খনীল কারাগার, শ্রাবণ বেঘের দিন, মুক্তির গান, থার্ড পারসন সিংগুলার নাম্বার বা টেলিভিশনকে আমার কাছে বিশেষ মনে হয়। ইংরেজি Knowing বা 2012 সিনেমা দু’টো আত্মিকভাবে চেতনা-জাগানিয়া বলে মনে হয়েছে।

 

নক্ষত্রব্লগঃ আপনার প্রিয় গান কোনটি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: ‘এমন একটি মা দেনা, যে মায়ের সন্তানেরা… ফেরদৌস ওয়াহিদ।আমি দেশীয় গানের ভক্ত এবং এবিষয়ে সর্বভুক! একটি বললে অনেকের প্রতি অবিচার হবে। বিশেষত লালন, রবীন্দ্রনাথ নজরুলের গানের ভীষণ ভক্ত আমি। আধুনিক গায়কদের মধ্যে এসডি বর্মন, ভূপেন হাজারিকা, মান্না দে, ফেরদৌস ওয়াহিদ, নিয়াজ মোর্শেদ, শ্রীকান্ত, তপন চৌধুরি, নচিকেতা, এবং হায়দার হুসেনের গান ভালো লাগে। আইয়ুব বাচ্চু, জেমস বা হাসানের কয়েকটি ব্যান্ড সঙ্গীতও আমার প্রিয়।

 

নক্ষত্রব্লগঃ আপনার প্রিয় শিল্পী কারা?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: এক সাথে বলে দিয়েছি ওপরে।

 

নক্ষত্র ব্লগঃ নক্ষত্র ব্লগ নিয়ে আপনার মতামত/পরামর্শ/উপদেশ কি?

মাঈনউদ্দিন মইনুল: অল্প সময়ে অনেক ব্লগারের সমন্বয ঘটিয়ে নক্ষত্র চমক দেখিয়েছে। সঞ্চালনাও এখন পর্যন্ত খুব ভালো। পরামর্শ/উপদেশ তো সকলেই দিতে পারে, উদ্যোগ নিতে পারে ক’জন? তবু জিজ্ঞাসার উত্তর দিচ্ছি: সব বাঙলা ব্লগেই একটি চ্যালেন্জ রয়েছে, নক্ষত্র’রও তাই। সেটি হলো নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। দ্বিতীয়ত, নিয়মিত বিচক্ষণ এবং ফলপ্রসূ সঞ্চালনা। আর্থিক স্বালম্বীতার জন্য ব্লগ নিজেই নিজের পথ বের করতে পারে – শুধু সুযোগ করে দিতে হবে। লেখার মান নির্ণয় করতে পারেন না বা সাহিত্য/ব্লগ রসিক নন, এমন ব্যক্তি যেন সঞ্চালনা পরিষদে না থাকেন। তবে নবীন ব্লগারদেরকে ওঠিয়ে নিয়ে আসার মতো মেকানিজমও থাকতে হবে ব্লগে। সামাজিক মূল্যবোধ, স্বদেশ চেতনা, মানবাধিকার এবং জলবায়ূ ইস্যুতে বাঙলা ব্লগকে আরও তৎপর হতে হবে।

 

নক্ষত্রঃ আমাদের সময় দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

মাঈনউদ্দিন মইনুল: নক্ষত্র ব্লগে শুভ কামনা করছি।

 

 

 

————-

১৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখের কথা।  তখন নক্ষত্র ব্লগ কেবল শুরু হলো। এখন তারা ই-কমার্সসহ বিশাল এক ওয়েবপোর্টালের মালিক। ব্লগ শুধুই একটি অংশ। নক্ষত্র চাইলো ব্লগারদেরকে প্রেরণা দিতে। আমিও তাদের প্রশ্নের জবাবে সেভাবেই নিজের কথা জানালাম। মূল সাক্ষাৎকারটি এখানে

 

 

 

————-

ব্লগ বিষয়ে সাম্প্রতিক কিছু লেখা

আদর্শবাদী ব্লগার বনাম সৃজনশীল ব্লগার

ব্লগ ও ব্লগিং সম্পর্কে এক্সপার্টদের ৩৯ উক্তি

একটি ব্লগসাইট যেভাবে প্রসার লাভ করতে পারে

আদর্শবাদী ব্লগার বনাম সৃজনশীল ব্লগার বনাম ফেইসবুকিং ব্লগার বনাম…

কেউ কেউ বলেন, ব্লগার সিজনাল, ব্লগ থাকে চিরকাল। পত্রিকার পাতায় প্রকাশিত লেখা দিনান্তে ভাঁজে পড়ে যায়, কিন্তু ব্লগের লেখা সব সময় থাকে পড়া ও উদ্ধৃতির জন্য প্রস্তুত। বই অথবা সংবাদপত্রের পাতা হারিয়ে যেতে পারে দৃষ্টিসীমানা থেকে, কিন্তু বোদ্ধারা বলেন, ইন্টারনেটে নাকি ইরেজার নেই! ওখানে কোন কিছুই মুছে যায় না। পোস্টদাতা মুছে দিলেও সেটি কোথাও-না-কোথাও থেকেই যায়।

ব্লগারদের মধ্যে একটি বড় অংশ আসে যুবসম্প্রদায়ের কর্মহীন ও স্টুডেন্ট অংশ থেকে। তারা ইন্টারনেটে এসে একটি সামাজিক বন্ধন সৃষ্টি করেন। ব্লগে যতদিন থাকেন চুটিয়ে ব্লগিং করেন: লেখায় প্যাশনেট, মন্তব্যে অনেস্ট। পোস্ট দেন, মন্তব্য দেন এবং এমনকি বিভিন্ন ব্লগারদের পোস্ট নিয়ে সংকলনও বের করেন। তারা নতুন পুরাতন সকল ব্লগারকে জাগিয়ে রাখেন, লেখায়-মন্তব্যে-সংকলনে। অল্পকাল স্থায়ি হলেও একটি ব্লগকে প্রাণচঞ্চল রাখতে এই ব্লগারদের রয়েছে বিরাট ভূমিকা। সকলেই সিজনাল ব্লগার নন। অনেকেই কর্মজীবনে গিয়েও ব্লগিং করছেন।

স্ট্যাটাস লেখতে লেখতে লেখক। ভাষার ভুল আর বানানের ভুল করার একচ্ছত্র অধিকার তারা ভোগ করেন! ব্লগে যদি ভুল না করা যায়, তবে আর কোথায়! আই ডোন্ট মাইন্ড দেয়ার ল্যাংগুয়েজ। নতুনেরা আদর্শ নিয়ে আসুন, গল্প-কবিতা-প্রবন্ধ নিয়ে আসুন অথবা দৈনিক স্ট্যাটাস নিয়ে আসুন, যত বেশি ব্লগে থাকেন ততই হয় সৃষ্টি। আজকের দিনের কোন টিনেজ বালিকার তাৎক্ষণিক একটি প্রতিক্রিয়া, অথবা পাঁচ লাইনের একটি স্ট্যাটাস, আগামি দশ বছর পর হতে পারে একটি ঐতিহাসিক ঘটনার নির্ভরযোগ্য সাক্ষী। অথবা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের বিশ্বাসযোগ্য সূত্র। কে জানে!

আমি খুব চাই, ব্লগের সঞ্চালক যেন তাদেরকে কোনভাবেই নিরুৎসাহিত না করেন, অথবা থামিয়ে না দেন। দিনে একাধিক ততোধিক পোস্ট দিলেও না! সামুতে অবশ্য এই কথা বলে দিতে হয় না। ব্লগ হওয়া উচিত তরুণ প্রজন্মের উচ্ছ্বাসে ভরা হইহুল্লাপূর্ণ এক আড্ডাখানা। এখান থেকে বের হয়ে আসুক ভবিষ্যত সমাজের নেতৃত্ব ও মননশীলতার পথনির্দেশ। কিন্তু জীবন ও জীবিকার অদম্য আকর্ষণে তাদেরকে যেতেই হয়। মজার ব্যাপার হলো, পেশা যা-ই হোক ব্লগার নামটি অন্তর থেকে মুছে ফেলেন না তারা! হয়তো তা সম্ভবও হয় না!

২.
বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণে ‘বাংলাদেশ’ আর অধিকাংশ তরুণের নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হতে পারে না
। কাজ অথবা বিদ্যালাভের জন্য তারা স্বদেশ ছাড়েন এবং অধিকাংশই (স্থায়ীভাবে) ফেরেন না। কিন্তু স্বদেশকে ভুলে থাকতে পারেন না – বরং দূরত্বের বেদনায় তীব্র স্বদেশপ্রেমে আপ্লত থাকেন অনেকে। গণমাধ্যমে স্বদেশের সংবাদ নেন, সংবাদ বিশ্লেষণ করেন ও অভিমত দেন। ফেইসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদি সামাজিক মাধ্যমে তারা দেশের রাজনৈতিক-সামাজিক ঘটনাবলীতে জড়িয়ে থাকার চেষ্টা করেন। নিজ দেশের মানুষের সাথে আকাশপথে পরিচিতি গড়ে তোলেন। দূরে থেকেও স্বদেশের আকর্ষণ নতুনভাবে উপলব্ধি করেন।

বলছি প্রবাসী ব্লগারদের কথা। তাদের মধ্যে অনেকের নিকনেইম আজ কিংবদন্তি লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে ছাপে তাদের লেখা। (কেউ আবার বিদেশী নাগরিকত্ব বা দূরত্বের সুবিধা নিয়ে একটু একটু বাড়তি কথা বলার সুযোগ নিয়ে থাকেন। অপমানজনক, দেশপ্রেমহীন এবং দায়িত্বহীন মন্তব্য দিয়ে থাকেন বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয়ে, যা হয়তো স্বদেশে থাকলে সাহস করতেন না।) পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা বাংলাভাষী ব্লগাররা ব্লগকে চব্বিশ ঘণ্টা মাতিয়ে রাখেন। ফটোপোস্ট, ভ্রমণ পোস্ট এবং প্রবাসী জীবনের লেখা দিয়ে সমৃদ্ধ করে চলেছেন বাংলা ব্লগকে। ফলে ব্লগ হয়েছে মেধাবী তরুণদের স্বদেশে ফেরার প্রেরণা। জয়তু প্রবাসী ব্লগার!

৩.
ব্লগ লেখার প্রেরণা আসে ‘ব্লগারের উদ্দেশ্য’ থেকে।
তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করা, তবে লেখায় থাকে যুক্তি ও তথ্যের সম্মিলন। এখানে নতুন/পুরাতন বলে কোন কথা নেই। তিনি প্রবন্ধ লেখছেন, নাকি নিবন্ধ লেখছেন, নাকি কবিতা লেখছেন – কিছুই যায় আসে না। লেখার মূল বক্তব্যে থাকে আদর্শের প্রতিচ্ছবি। আদর্শবাদী ব্লগাররা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্য হতে আসেন এবং তুলনামূলকভাবে বেশিদিন টেকেন। এঁরা ব্লগের বটবৃক্ষ! অতীত ও ভবিষ্যৎ ব্লগারদের মধ্যে যুগবন্ধনকারী। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। ব্লগে তাদের মন্তব্য সাধারণত শ্লেষপূর্ণ ও প্রতিক্রিয়াশীল হয়।

বলাবাহুল্য, প্রতিক্রিয়াশীলতা পুরোপুরি নেতিবাচক কোন বিষয় নয়। বিপ্লব ও সংস্কারের তাড়না আসে প্রতিক্রিয়াশীলতা থেকে। দেশের প্রচলিত আইন ও সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ন রেখে পরিবর্তনের কথা বলা কোন অপরাধ নয়। বাংলা ব্লগের শুরুর সময়টি ছিল আদর্শবাদী ব্লগারদের সোনালি দিন। বর্তমান সময়টিও ফেলনা নয়, তবে সোনালি রুপালি ইত্যাদি ‘রঙ’ দিয়ে এখন আর ব্যাখ্যা করা যায় না!

যা হোক, আদর্শবাদী ব্লগাররা কিন্তু ব্লগের ‘হিট লক্ষ্ণী’। মন্তব্য ১টি, পঠিত ১১,২৮৮বার! অথবা তিন লাইনের একটি লেখায় দেখবেন মন্তব্য পড়েছে মাত্র ৩০২টি! (অবশ্য, ট্যাগিং, বিভক্তি সৃষ্টি এবং দেশের হারিয়ে যাওয়া ও গ্রামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ‘অবহেলিত গালিগুলোকে’ একত্রিত করে সেগুলোকে বহুলপ্রচলিত ও জনপ্রিয় করার কাজে কিছু ব্লগারের অবদান অনস্বীকার্য।)

জাতীয় এবং সামাজিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুাতে জনমত সৃষ্টি করা এবং কর্তৃপক্ষকে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছেন এশ্রেণীর ব্লগাররা। নতুন প্রজন্মের মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে ধারণা সৃষ্টি এবং জাতীয়তাবাদের ভিত মজবুত করে চলেছেন তারা। নাগরিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার সমাধানে সৃষ্টি করেছেন ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা।

৪.
ব্লগ যেন সৃজনশীলতার চারণভূমি! এখানে সৃজনশীলতা পয়দা হয়!
তাৎক্ষণিক প্রকাশ, তাৎক্ষণিক মন্তব্য আর অভিমতের সুযোগ নিয়ে অনেক স্ট্যাটাস লেখক জীবনমুখী গল্পকার, ছড়াকার বা কবিতে পরিণত হয়েছেন। কেউবা হয়েছেন বিবর্তিত! নাকি মেটামরফোসিস? ছিলেন কবি, হয়েছেন গল্পকার; অথবা ছিলেন ডাক্তার, হয়েছেন কবি! (কেউ কেউ লেখতে লেখতে আরও ভোঁতা হয়েছেন। কিছুই হতে পারেন নি/হন নি, বরং যা ছিলেন, তা হারাবার দশা হয়েছে! নেভার মাইন্ড, তাদের সংখ্যা এতই কম যে খালি চোখে দেখা যায় না!)

ঠিক ব্যাখ্যা করতে পারবো না, কিন্তু ব্লগ থেকে সৃষ্ট লেখকেরা যেন ‘ভিন্ন একটা জেনার’ সৃষ্টি করছেন বাংলা সাহিত্যে। প্রথাগত গ্রন্থকারদের সাথে তাদেরকে পুরোপুরি মেশানো যায় না। তাতে ব্লগারদেরই লস হবে। (অন্যদিকে কেউবা হয়েছেন বনসাঁই – বয়স বাড়লেও অন্যকিছু বাড়ে নি। বছরের পর বছর লেখেও ‘জাতীয়’ বানান লেখতে পারেন না। প্রচলিত শব্দগুলোকে না জেনেই নতুন শব্দগঠনে নামেন। আর, কবিতার কী ছিরি! যাক, এসব বিষয় তত ব্যাপক নয়।)

সৃজনশীল ব্লগাররা ব্লগের সাহিত্য সম্ভারকে গড়ে তুলেছেন। সৃজনশীলেরা একদিনে তৈরি হয় নি। পরিশ্রম, একনিষ্ঠতা, অধ্যয়ন ও জীবনবোধ হলো সৃজনশীল ব্লগারদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। কেউ ব্লগার হয়ে লেখক হয়েছেন, কেউবা আগেই লেখক ছিলেন। তবে ব্লগে প্রথম শ্রেণীর লেখকের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু সকলেরই আদি এবং অন্ত ব্লগ। এঁরা সৃজন করেন। নামের কারনেই সৃজনশীলদের নাম অনেক ওপরে!

ব্লগারদের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। কেউ বলছেন বেড়েছে, কেউ বলছেন কমেছে। জনসংখ্যা আর ইন্টারনেট ইউজার যদি বাড়ে, তবে ব্লগারের সংখ্যা কমে কীভাবে? আমি বলছি, দু’টোই হয়েছে। বেড়েছে ব্লগার এবং ব্লগসাইট; কমেছে প্রতি ব্লগসাইটের নিজস্ব ব্লগারের সংখ্যা। সব মিলিয়ে একটি বৃহৎ ব্লগার কমিউনিটি গড়ে ওঠেছে বাংলা ভাষায়। সংবাদ মাধ্যমের কোন বিষয়ে সন্দেহ বা বিভ্রান্তি থাকলে মানুষ ব্লগে তাকায়, ব্লগের পৌনপুনিক দাবিগুলো অবশেষে মূলধারার সংবাদ মাধ্যমে গড়ায়। কারও অধিকার ক্ষুণ্ন হলে উভয়ে (অনলাইন ও অফলাইন) সমস্বরে চেঁচিয়ে ওঠে। ব্লগার এবং সামাজিক মাধ্যমের বলিষ্ঠ অংশগ্রহণ নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম একটি বৃহৎ ও শক্তিশালী গণমাধ্যম।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৭ [Somewhereinblog.net]

ব্লগের বিশালত্ব – ব্লগ ব্লগিং ও ব্লগার সম্পর্কে এক্সপার্টদের ৩৯ উক্তি

“আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা”
———————————————————

1) সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমে ব্লগিংএর প্রভাবটি খুবই ইতিবাচক এক শক্তি। -গ্যারেট গ্রাফ

2) একটি চমৎকার ব্লগের মালিক হওয়া নয়, এমন ব্লগ লেখুন যা পাঠকের জন্য পড়তে চমৎকার। -ব্রায়ান ক্লার্ক

3) ব্লগারের সর্বশেষ ভোক্তা হলো পাঠক, সার্চ এন্জিন নয়। -গুগল এসইও গাইড

4) ব্লগে ব্যবহার্য মুদ্রার নামটি হলো বিশ্বাসযোগ্যতা আর আস্থা। –জেসন ক্যালকানিস

5) ইন্টারনেটে কোন ইরেজার নেই। -লিজ ‍স্ট্রস

6) একবার একটি হিট পাওযাকে সফল ব্লগিং বলে না – দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুগত ফলোয়ার সৃষ্টি করা চাই। -ডেভিড অ্যাস্টন

7) ইন্টারনেটে প্রচুর তথ্য আছে যা বিনামূল্যে পাওয়া যায়; আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, নিজের তথ্যসমূহকে ভিন্নতা দেওয়া। -ম্যাট উল্ফ

8) সফল ব্যক্তিরা স্প্যাম করেন না, অর্থাৎ অনাকাঙ্ক্ষিত লেখা/পোস্ট/ইমেল দেন না। -এডরিন স্মিথ

9) র‌্যাংকিংয়ে ওপরে ওঠার পেছনে অগণিত কারণ রয়েছে – তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভালো কনটেন্ট থাকা। -ডেভিড সিনিক

10) ব্লগার যখন পাঠকের মনোভাব আর দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রভাব সৃষ্টি করে, তখন অবচেতনে তার লেখার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

11) বাস্তবিক জীবনে সবাই যেখানে মেজাজ দমন নিয়ে চিন্তিত, সেখানে শুধু আঙ্গুল দমন করেই আপনি কিন্তু মহাত্মা ব্লগারে রূপান্তরিত হতে পারেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

12) মন্তব্য ছাড়া নিজের লেখাকে নিজেই আমি চিনতে পারি না। কম বা হালকা মন্তব্যের লেখাগুলোকে যেন অন্যের সন্তানের মতো অচেনা লাগে! (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

13) সবচেয়ে বড় কৌশল হলো ভালো কিছু লেখা, নিশ্চিত হয়ে লেখা এবং সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা কথাটিকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা। অন্যভাবে বলা যায়, পাঠককে উচ্চতর স্থানে রাখা এবং তাকে হেয় জ্ঞান না করা। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

“অর্থ আয়/ ব্লগিং ক্যারিয়ার”
———————————————————

14) ‘পেশাদার ব্লগার’ কথাটি এখন আর পরস্পর-বিরোধী বিষয় (oxymoron) নয়। -লুক ল্যাংফোর্ড

15) ব্লগিং করে টাকা বানাতে হলে মাত্র দু’টি কাজ করতে হয়- প্রচুর হিটের ব্যবস্থা করা এবং তা থেকে নিজের আয়কে বাড়িযে তোলা। -জন চউ

16) ক্যারিয়ার হিসেবে ব্লগিং ভালো মাধ্যম। একটি উত্তমভাবে প্রস্তুত ব্লগ আপনাকে নিজ বিষয়ে অভিজ্ঞ করে তুলতে পারে। -পেনিলোপি ট্রাংক

17) শুধুমাত্র ইন্টারনেটেই একজন মানুষ একাকীত্ব এবং জনপ্রিয়তাকে একসাথে পায়। -এলিসন বারনেট

18) আমি আমাদেরকে সাংবাদিকেই মনে করি, আমাদের মাধ্যম হলো ব্লগ। -জশুয়া মিকা রিচিল

19) ব্লগিংকে পেশা হিসেবে নেবার সময় এসেছে। পশ্চিমে ব্লগিং করে জীবিকা অর্জন করছে এরকম ব্লগারের সংখ্যা গুণা যায় না। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

20) নিজের সাথে একটি গোপন চুক্তিতে আসুন। তা হলো, আপনি যে বিষয়ে লিখবেন, শপথ নিন যে তাতে ষোলআনা জেনে শুনেই লিখবেন। অথবা যা জানেন মানেন এবং বুঝেন সেগুলো দিয়েই লিখতে শুরু করবেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

“শ্রম, সময় ও আন্তরিকতা”
———————————————————

21) সামাজিক মাধ্যম একটি ধারণা নয়, এটি মানবিক। -গ্যারি ভেইনারচুক

22) ভেতরে আমরা যা দিচ্ছি সেটাই হলো ব্লগ, সংজ্ঞা নিয়ে ব্যস্ত ‍থাকা হলো বোকামি। -মাইকেল কনিফ

23) যদি সব প্রশংসা গ্রহণ করতে পারেন, তবে সব সমালোচনাকেও মেনে নিতে হবে। -ক্রিস ব্রগান

24) আমার ব্লগিং জীবনটি মূলত লক্ষ্যহীন। আমি এর স্বভাবটি পছন্দ করি এবং উল্টোভাবে এটিই ভালো ফল দিচ্ছে। -সেত গোডিন

25) নিজের পোস্ট প্রকাশ করা এবং অন্যের পোস্টে মন্তব্য দেওয়া – মাত্র দু’টি কাজ করেই ইন্টারনেটের ভারচুয়াল সমাজে আমরা নিজেদের অস্তিত্বকে ধরে রেখেছি। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

“ব্লগিংয়ের প্রেরণা”
——————————————————–

26) একটি কোমল উপায়ে আপনি নাড়িয়ে দিতে পারেন দুনিয়া । -মহাত্মা গান্ধি (জানতাম না তিনিও যে ব্লগিং করতেন ;) )

27) সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকে। ‘প্রাইসলেস প্রেরণা’ আসে সহব্লগারদের সাহচর্য্য থেকে। ব্লগ থেকে যে প্রেরণা পাওয়া যায়, রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও তাতে হিংসা করতেন যদি বেঁচে থাকতেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

28) ব্লগিং করুন, নিজের চেতনা ও বিশ্বাসকে প্রকাশ ও পরীক্ষা করার জন্য। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

29) ব্লগিং করি জানাবার জন্য, যোগাযোগ সৃষ্টি করার জন্য, সৃষ্টি করার জন্য এবং প্রেরণার জন্য। (নাম পাওয়া যায় নি)

30) অনেকেই বলেন, লেখার মানটাই আসল। বানান ভুলটুল কোনো ব্যাপার না। আমিও মনে করি লেখার মানটাই আসল। এবং এও মনে করি, নির্ভুল বানান এবং নির্ভুল বাক্যবিন্যাস মানসম্মত লেখার একটি অন্যতম উপাদানঅলওয়েজ ড্রিম

“সামু’র ব্লগারদের ব্লগীয় উক্তি”
———————————————————

31) ব্লগিং নিয়ে যতটুকু জানি, তাতে আমি ভীষণ আশাবাদি। ব্লগ আমাদের আলোচনার জায়গা, শেখার জায়গা, তথ্য আদান প্রদানের জায়গা। প্রফেসর শঙ্কু

32) বাংলা ব্লগিংয়ের সাম্প্রতিক দুঃসময় নিয়ে আমি চিন্তিত নই। সময়টাকে আমি রুপান্তরকরণ হিসাবেই দেখছি। মামুন রশিদ

33) ব্লগের দরকার না ফুরিয়ে বলবো আগের থেকে অনেক বেড়েছে। বড় পোস্ট ফেইসবুকে মানুষ পড়তে চায়না দিতে চায়না। আর তথ্য দেবার জন্য ব্লগ এখনো সেরা মাধ্যম। ফেইসবুকে তথ্য খুঁজে পাওয়া খুবই ঝামেলার। ব্লগে লেখা পড়তে বেশ আনন্দ লাগে। রাজিব

34) আজ ব্লগ এবং ব্লগার এই শব্দ দু’টির বিশেষ মান তৈরী হয়েছে, একটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগে। নানান সামাজিক মঙ্গলে, জাতিয় স্বার্থ রক্ষায়, সামাজিক অন্ধকার বিমোচনে ,মানবিকতায় বাংলা ব্লগাররা একত্রিত হয়ে এক অনন্য উদাহরণ তৈরী করেছেন যা বিশ্বের অন্যন্য ব্লগ পরিমন্ডলে দেখা যায়নি।সামু’র নোটিশ বোর্ড

মন্তব্য নিয়ে ব্লগারদের মন্তব্য
———————————————————

35) যেসব ব্লগার অনবরত পোস্ট প্রজনন করেই চলে, আগের পোস্টের মন্তব্যের জবাব না দিয়েই আরেকটি পোস্ট করে – তাদের লেখায় মন্তব্য না দেওয়াই উচিত। এতে দুটো কাজ হতে পারে, তিনি মন্তব্যের জবাবের প্রতি যে দায়বদ্ধ তা বুঝতে পারবেন, ফ্লাডিংটাও কমার সুযোগ থাকে। স্বাধীকার

36) মনোযোগী পাঠকের মন্তব্য সৃজনশীল হতে বাধ্য, যদি সে অকপটে নিজেকে প্রকাশ করে, আর যদি সেইটা লেখার সময় ও ভাব তার থেকে থাকে! … ব্লগের অন্যতম প্রধান শক্তি হচ্ছে এখানে সরাসরি লেখক পাঠকের মিথস্ক্রিয়ার সুযোগ, আর তার প্রধান বাহন হচ্ছে মন্তব্য। ৎঁৎঁৎঁ

37) সত্যিকার অর্থেই শুধু পোস্ট নয়, মন্তব্য একজনের সম্পর্কে আমাদের অনেক ধারণা দেয়। তার ব্যক্তিত্ব, তার ইমেজ সব কিছুই। তাই মন্তব্য হেলাফেলায় করা উচিত নয়। মন্তব্য ছোট হতে পারে। তবুও তা সুন্দর হওয়া উচিত। সমালোচনা করলেও গঠনমূলক হওয়া উচিত। মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব

38) আমি যখন দেখব আনাড়ি ব্যক্তি নিয়মিত কিছু লিখছেন তখন সেখানে গিয়ে তাকে সত্যিকার ভালো মন্দ জানানোটা জরুরি। নতুন হিসেবে তার যদি শেখার মনোভাব থাকে তাহলে সেখানেও তাকে পরামর্শ দেয়া যায়। তবে অনেকেই পরামর্শ ভালো ভাবে নিতে চান না। তাদের ক্ষেত্রে পরামর্শ দেয়া এড়িয়ে যাওয়াই ভাল।কাল্পনিক ভালোবাসা

39) পাঠকের একটি চিন্তাশীল মন্তব্যকে আমি নিজের লেখার চেয়েও বেশি মূল্যায়ন করি। পাঠকের মন্তব্য দেখে আমি বারবার ফিরে যাই নিজের লেখায়। নিজেকে অন্যের চোখে দেখে ভীষণভাবে প্রভাবিত হই। একেকটি মন্তব্য যেন নিজেকে দেখার একেকটি আয়না। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

ব্লগ ও ব্লগিং বিষয়ে সামু’তে প্রকাশিত পূর্বের কয়েকটি পোস্ট:

ক. সংকলিত ব্লগ লেখার কৌশল
খ. ৩৯টি ব্লগিং অভিজ্ঞতা
গ. আধুনিক ব্লগারদের ১০টি প্রিয় ভুল
ঘ. লেখকের প্রতি পাঠকের আস্থা
ঙ. অন্যের পোস্টে সৃজনশীল মন্তব্য
চ. ‘মন্তব্য’ নিয়ে সামু’র সহব্লগারদের মন্তব্য
ছ. ব্লগার হিসেবে মালালা ইউসুফজাই
জ. ভারচুয়াল পারসোনালিটি – একটি আলোচনা
ঝ. বাংলা ব্লগের সম্ভাবনা
ঞ. কেন ব্লগিং করবেন…

———————————————————
টীকা: ব্লগারদের মন্তব্যগুলো লেখকের পোস্টে সংশ্লিষ্ট ব্লগারদের মন্তব্য থেকে সংগৃহীত। বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যক্তিগত অনুসন্ধান থেকে উক্তিগুলো সংগৃহীত। সকল ছবি ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত।

==========================================================================

লেখাটি সামহোয়্যারইন ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তরিত।

==========================================================================

৮৪টি মন্তব্য

১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:ব্লগিং বাংগালীকে লিখতে ও বলতে সাহায্য করছে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এবং আমার ব্লগে স্বাগতম।

২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৭

ঢাকাবাসী বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। দেখুন এদেশে অর্ধেকের বেশী লোক অশিক্ষিত, আশি ভাগ লোক গরিব। কিসের ব্লগিং, কে করবে, কিভাবে করবে! একটা দৈনিক পত্রিকার পাঠক ক’জন, সব মিলিয়ে ক’জন পত্রিকা পড়ে অনেকে জানেননা, কারন আসলটা কেউ বলেনা। ভুল বুঝবেননা প্লিয্।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় ঢাকাবাসী, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। একটু ভুল বুঝি নি। আমি সারা বাংলাদেশের লোকদের সাথে কথা বলছি না, আমার ওডিয়েন্স কিন্তু ব্লগার এবং ফেইসবুকার। অতএব…তাছাড়া, আপনি তো ১৫/২০ বছর আগের পরিসংখ্যান নিয়ে কথা বলছেন। দেশের শিক্ষার হার এখন ৬০/৭০ পেরিয়ে ৮০ কাছাকাছি; দরিদ্রমুক্তির হারও প্রায় একই। দৈনিক পত্রিকা এখন ক্ষেতের আঁল পর্যন্ত যায় এবং ১/৩য়াংশের বেশি মানুষের হাতে আছে মোবাইল। তাদের অধিকাংশের হাতে এখন থ্রিজি। তারা ফেইসবুকের মধ্য দিয়ে ব্লগেও উঁকি দিতে শুরু করেছে। আমি কিন্তু গ্রামেরই ছেলে।

আন্তরিক মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ :)

৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫০

জুন বলেছেন: অভিনন্দন আপনাকে শতবর্ষের পোষ্টের জন্য :)
ব্লগিং বিষয়ে সেদিন আমি গুগুলে অনেক কিছু তথ্য দেখলাম কিন্ত আপনার মত করে চমৎকার গুছিয়ে লেখার সাধ্য আমার নেই, তাই শুধু দেখে যাই :)
+

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন:  জুনাপাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার উপস্থিতি সবসময় আনন্দদায়ক।গুগলে তো দুনিয়ার সকল জ্ঞানই পাওয়া যায়। এখন প্রকৃত জ্ঞান হলো, কোন্ জ্ঞান আপনি গ্রহণ করবেন সেটি বুঝতে পারা। হাহাহা!B-) ;)

৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:০০

সুমাইয়া আলো বলেছেন: ১০০তম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। সাথে আগুন পোস্ট।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন:  ‘আগুন পোস্ট’ ….হাহাহা!অনেক ধন্যবাদ, সুমাইয়া আলো…. ভালো থাকুন সবসময়! :)

৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,ভেবে দেখার মতো বিষয় ।

ব্লগারদের উক্তিগুলোই আমাদের চোখ খুলে দেয়ার জন্যে যথেষ্ট ।

ধন্যবাদ লেখাটির জন্যে ।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩০

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ আপনাকে জনাব আহমেদ জী এস…শুভেচ্ছা জানবেন :)

৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২০

আমি তুমি আমরা বলেছেন: 17) শুধুমাত্র ইন্টারনেটেই একজন মানুষ একাকীত্ব এবং জনপ্রিয়তাকে একসাথে পায়। -এলিসন বারনেট23) যদি সব প্রশংসা গ্রহণ করতে পারেন, তবে সব সমালোচনাকেও মেনে নিতে হবে। -ক্রিস ব্রগান

এই মন্তব্য দুটো সবচেয়ে ভাল লেগেছে।

জানতে নন এক্সপার্ট মন্তব্য বলতে কি বুঝিয়েছেন?

পোস্টে প্রথম ভাল লাগা রইল :)

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন:  ১৭ এবং ২৩! ওয়াও… আপনি আমার পছন্দের দু’টি উক্তি বেছে নিয়েছেন, আমি তুমি আমরা!নন-এক্সপার্টের মন্তব্য মানে হলো ‘যে মন্তব্যটি এক্সপার্টের নয়’ ;)

অনেক কৃতজ্ঞতা এবং শুভেচ্ছা জানবেন……

৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২৪

প্রামািনক বলেছেন: আপনার ৩৯উক্তি পড়েছি। আপনি শততম পোষ্টে পা দিয়েছেন জেনে খুশি হলাম। শুভেচ্ছা রইল মইনুল ভাই।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন:  ব্লগিং সম্পর্কে ৩৯ উক্তি পড়ার জন্য এবং শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ, প্রিয় ছড়াকার ভাই….( আগামি শুক্রবার সারাদিনের জন্য বইমেলায় যাচ্ছি। আশা করছি দেখা হবে? )

৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২৮

শায়মা বলেছেন: মাত্র ৩৯!!!!!!!!!!B:-/

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন:  মাত্র ৩৯??? এইটুকু বের করতেই ‘নন-এক্সপার্টের’ সহায়তা নিতে হয়েছে। ইন্টারনেটের সবকিছু আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক ছিল না, শায়মা! বাঙালি ব্লগারদের উক্তিগুলো চেখে দেখবেন। ব্লগিং সম্পর্কে ভালো উক্তি বাঙালি ছাড়া আর কে দিতে পারে বলুন?! B-) ;)ভালো থাকবেন…..

৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৩

জামাল হোসেন (সেলিম) বলেছেন: ব্লগে আজকাল আর লিখি না। কোন ব্লগেই না। প্রথম আলো ব্লগটা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে এতটাই আঘাত পেয়েছি মনে, ও পথে আর যাচ্ছিনা। বাংলা ব্লগের উপর ব্লগারদের উপর বড় একটা আঘাত করেছে ওরা। I mean প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ। একবার নয়, পর পর দুবার।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন:  বাদ দিন ওসব মুনাফাখোর সামন্তবাদিদের কথা। ওরা মুখে বলে একটা, করে আরেকটা। এখানেই আবার শুরু হোক ব্লগিং, সেলিম ভাই। অনেকদিন পর আপনার সাথে বাতচিত হচ্ছে। ভালো থাকবেন :)

১০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪৯

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:শততম পোস্টের শুভেচ্ছা। অভিনন্দন গ্রহন করুন প্রিয় ব্লগার।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন:  অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা!

১১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩১

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন ভাইজান।
আপাতত অভিনন্দনেই সীমাবদ্ধ রাখলাম। মূল মন্তব্যটা রাতে করবো। :)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় বিদ্রোহী বাঙালি :)

১২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪২

কলমের কালি শেষ বলেছেন: শততম পস্টে অভিনন্দন ।চমতকার শেয়ার । উক্তিগুলো যে কাউকেই সফল ব্লগিং করতে অনুপ্রাণিত করবে নিঃসন্দেহে ।

শুভ কামনা । :)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: আপনাদের মন্তব্য আমার ব্লগ লেখার প্রেরণা। সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:১২

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: নিজের কথাগুলো, চিন্তাগুলোকে শব্দের বুননে আবদ্ধ করতে পেরেছি সামুর জন্য। সাথে কিছু গুণী মানুষের আলোচনা সমালোচনায় নিজেকে চিনতে পারছি নতুন করে।তাই ব্লগ আমার কাছে অনেক কিছু।
যা হোক অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তার জন্য দুঃখিত।উক্তিগুলো অসাধারণ। নিজেই অনুপ্রাণিত হলাম। ভালো থাকবেন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন:  আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, দিশেহারা রাজপুত্র।আপনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন জেনে আমি আনন্দিত :)

১৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন । ব্লগিং বিষয়ে অনেক কিছু জানা গেল । সুনামধন্য ব্লগারদের মতামত জানা গেল । মামুনরশিদ ভা্ইকে মিস করি খুব ।দারুন সব কমেন্ট করতেন তিনি । ভাল লাগলো +

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা আর শুভেচ্ছা!

১৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৫০

সুমন কর বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। !:#P!:#Pসবগুলোই মনযোগ দিয়ে পড়লাম। ভাল লাগল।

৩, ৬, ৮, ১২, ১৭, ২০, ২৩, ২৪, ২৫, ২৯, ৩৪, ৩৯ চমৎকার। ;)

শুভ রাত্রি।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন:  সুমন করকে সবসময় একজন মনযোগী পাঠক হিসেবে পেয়েছি। এমন সঙ্গ কার না ভালো লাগে!

১৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:০৮

নাজমুল হাসান মজুমদার বলেছেন: ব্লগ আমাদের মনের ভাব প্রকাশের একটা মাধ্যম

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন:  ঠিক বলেছেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ :)

১৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:১০

রামন বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন। এমন তো নয় যে এবারেই ভাল লিখেছেন; আপনার আগের প্রত্যেকটি লেখাকে বলা যাবে সুলেখা,যা ছিল মার্জিত এবং উপভোগ্য। সামুর পাঠকদের জন্য লেখা শততম পরিশ্রমী পোস্টের জন্য আপনাকে জানাই ফুলেল শুভেচ্ছা।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন:  ওয়াও…. বিশাল বড় প্রশংসা। মন ছুঁয়ে গেলো ভাই রামন!আপনাকেও জানাই আন্তরিকত কৃতজ্ঞতা।

১৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:০৪

প্রবাসী পাঠক বলেছেন: শততম পোস্টের শুভেচ্ছা প্রিয় মইনুল ভাই।পোস্ট প্রিয়তে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন:  প্রবাসী পাঠককে অনেক ধন্যবাদ। ব্লগে এবং ফেইসবুকে আপনি আমার সঙ্গী হয়ে আছেন। বিষয়টি ভালো লাগার!

১৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:১৪

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: এক্সপার্টদের উক্তি, নন-এক্সপার্টদের উক্তি, ব্লগারদের উক্তি, সহব্লগারদের ব্লগ সম্পর্কিত কিছু চমৎকার মন্তব্য সব মিলিয়ে শততম পোস্টে দারুণ আয়োজন।
নন-এক্সপার্টটা কেডায়? আমাগো ব্লগরত্ন মইনুল ভাইজান না?:P
আওয়াজ দিয়ে যাই-তে শেয়ার দিয়েছিলাম। মুছে দিয়েছেন মনে হয়। ক্যারে? সরমিন্দা হইছেন নাকি? এই জন্যই কিন্তু আমি ‘বিদ্রোহী বাঙালি’ শেয়ার দিয়েছিলাম। ইট্টু আক্কল আছে অহনো। :)শততম পোস্টের জন্য আবারও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন রইলো মইনুল ভাই। পথচলা অব্যাহত থাকুক এটাই প্রত্যাশা করছি। নিরন্তর শুভ কামনা রইলো।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন:  হাহাহ!….. অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রিয় বিদ্রোহী বাঙালি। আপনারাই আমার ব্লগ লেখার প্রেরণা হয়ে আছেন। পথচলা এমনভাবেই অব্যাহত থাকবে।শুনুন, আপনি সম্পাদক হিসেবে পোস্ট দেন নি; এজন্য ‘আওয়াজ দিয়ে যাই’ সেটিকে পাশে রেখে দিয়েছে। আমি কিছু মুছি নি।

২০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৭:৩৬

জাফরুল মবীন বলেছেন: বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: নন-এক্সপার্টটা কেডায়? আমাগো ব্লগরত্ন মইনুল ভাইজান না? -আবার জিগায়! =p~মন্তব্য ছাড়া নিজের লেখাকে নিজেই আমি চিনতে পারি না। কম বা হালকা মন্তব্যের লেখাগুলোকে যেন অন্যের সন্তানের মতো অচেনা লাগে! (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি) – হাঃ হাঃ হাঃ…বেশ ভাল বলেছেন মিঃ “ননএক্সপার্ট” :)

সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকে। ‘প্রাইসলেস প্রেরণা’ আসে সহব্লগারদের সাহচর্য্য থেকে। ব্লগ থেকে যে প্রেরণা পাওয়া যায়, রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও তাতে হিংসা করতেন যদি বেঁচে থাকতেন।(ননএক্সপার্ট-এর উক্তি) -চমৎকার কথা বলেছেন!

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন:  লেখার জন্য নিজ হাতে কার্ড বানানো এত বড় শুভেচ্ছা আমি এর আগে পাই নি। এ আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রিয় জাফরুল মবীন…সামহোয়্যারইন ব্লগে আপনার দৃপ্ত পদচারণায় সকলের মতো আমিও গর্বিত।…… শুভেচ্ছা থাকবে সবসময়!

২১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১০:৫০

আরজুপনি বলেছেন:আমি সাধারণত বর্ষপুর্তিতে যত বর্ষ হয় ততগুলি ইমো দেই…এবার শততম পোস্টে কী করবো ?

!:#P ……………………………………………………………………………………..!:#P

অনেক অনেক অভিনন্দন রইল…ছাড়িয়ে যান হাজার পোস্টের সীমানা।

গতরাতে অফলাইনে পুরোটা মন্তব্য সহ দেখছিলাম আর আমিও ননএক্সপার্ট মন্তব্য কার হতে পারে ভাবছিলাম ;)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন:  ইমো-যুক্ত শুভেচ্ছা পেয়ে আমি আনন্দিত। ইমোর সংখ্যা ঠিকই আছে :)আপনার মতো স্টার ব্লগারদের সঙ্গ পেলে হাজার পোস্টের সীমানা ছাড়াবার চেষ্টা থাকবে।

অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রিয় সহব্লগার আরজুপনি!

২২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:৫৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন:  আপনাকে মন্তব্যে পেলে সবসময়ই আনন্দিত হই। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন :)

২৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৭

দীপান্বিতা বলেছেন: সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকেশততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন :)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন:  ধন্যবাদ, দীপান্বিতা!

২৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১৪

মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: উপরে যতগুলো উক্তি আছে তার মাঝে আমি প্রথমে রাখব এইটাকেঃ “শুধুমাত্র ইন্টারনেটেই একজন মানুষ একাকীত্ব এবং জনপ্রিয়তাকে একসাথে পায়। -এলিসন বারনেট”বাকিগুলোও চমৎকার। আহেম আহেম নন এক্সপার্ট কিছু মন্তব্য বেশ পরিচিত মনে হলো B-) B-)

মহাত্মা গান্ধীর ব্লগ লিঙ্কটা আছে নাকি আপনার কাছে?? ইনবক্স কইরেন তো;)

শততম পোস্টের জন্য অনেক অনেক অভিনন্দন প্রিয় মইনুল ভাই। ইয়ে মানে….. শততম পোস্ট আমাকে উৎসর্গ করায় যার পর নাই আনন্দিত এবং কিঞ্চিৎ লজ্জিত :D

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: সকল সহব্লগারকেই উৎসর্গ করেছি। একমাত্র আপনার নিকট থেকেই প্রাপ্তিস্বীকার পেলাম। অনেক খুশি হলাম, প্রিয় মহামহোপাধ্যায় :)মহাত্মা গান্ধীর লিংকটি ধরুন ……..

শুভেচ্ছা :)

২৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:৩০

সুফিয়া বলেছেন: ব্লগিং সম্পর্কে অনেকের ভিন্নধর্মী মতামত জানা গেল আপনার পোস্ট থেকে।ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।

আর পোস্টে সেঞ্চুরি করার জন্য অনেক অনেক অভিনন্দন রইল। আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারের আরও অগ্রযাত্রা কামনা করছি।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন:  সুফিয়াকে তার আন্তরিক মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা!

২৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৫

ইছামতির তী্রে বলেছেন: শ্রদ্ধেয় ‘এক্সপার্টদের চেয়ে দেখি ‘নন-এক্সপার্ট’র’ মন্তব্যেই জটিল লাগছে! হাহাহাযাইহোক, অনেক অনেক অভিনন্দন আপনার শততম পোস্টের জন্য। অবশ্যই এটিও অসাধারণ একটি পোস্ট। আমি প্রথম থেকেই দেখে আসছি যে, আপনি সামু-র একজন নিবেদিত প্রাণ মানুষ। আপনাদের জন্যই আমরা এখানে আসি বা আছি।

আরো অনেক সুন্দর সুন্দর পোস্টের প্রত্যাশায়…।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন:

//শ্রদ্ধেয় ‘এক্সপার্টদের চেয়ে দেখি ‘নন-এক্সপার্ট’র’ মন্তব্যেই জটিল লাগছে!//
8-| ;)//আমি প্রথম থেকেই দেখে আসছি যে, আপনি সামু-র একজন নিবেদিত প্রাণ মানুষ। আপনাদের জন্যই আমরা এখানে আসি বা আছি। //
-বিশাল বড় প্রাপ্তি।ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা জানবেন :)

২৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৩৪

দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনিঃশেষ শুভকামনা মইনুল ভাই।অন্তর্জালের করণীয় সম্পর্কে সামান্য যা শেখার চেষ্টা করেছি, যাঁদের কাছে, তাঁদের মধ্যে আপনি অন্যতম একজন।

শততম পোস্টের শুভেচ্ছা থাকছে।

শুভকামনা থাকছে অনিঃশেষ।

ভালো থাকবেন। সবসময়।

11) বাস্তবিক জীবনে সবাই যেখানে মেজাজ দমন নিয়ে চিন্তিত, সেখানে শুধু আঙ্গুল দমন করেই আপনি কিন্তু মহাত্মা ব্লগারে রূপান্তরিত হতে পারেন। (ননএক্সপার্ট-এর উক্তি)

আঙ্গুল দমনের বিষয়টা নতুন ভাবে মাথায় ঢুকলো!!!

শুভকামনা পুনরায়।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন:  কবি দীপংকর চন্দ কেমন আছেন? আপনার আন্তরিক মন্তব্য সবসময় আমি উপভোগ করি।ননএক্সপার্টের উক্তিটিতে দৃষ্টি দেবার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন….

অনেক শুভেচ্ছা!

২৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৩৯

আবু শাকিল বলেছেন: ১০০তম পোষ্টের জন্য অভিনন্দন মইনুল ভাই ।ভাল থাকবেন সব সময় ।

ব্লগ ব্লগিং ও ব্লগার সম্পর্কে এক্সপার্টদের দারুন দারুন কথা পড়লাম ।
ধন্যবাদ ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন:  অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় আবু শাকিল ভাই!ভালো থাকুন আপনিও!

২৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:১৭

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: শুভেচ্ছা মইনুদ্দিন মইনুল , সুন্দর সাবলীল পোস্ট ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন:  ধন্যবাদ, কবি!

৩০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:২০

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: অভিনন্দন| লেখাটার সাথে দেয়া লিঙ্কগুলোর জন্যেও ধন্যবাদ

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আরন্যক রাখালকে অনেক ধন্যবাদ!

৩১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩১

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: এক্সপার্ট-এর চেয়ে, নন-এক্সপার্টের উক্তিগুলো বড়বেশী আপন আপন মনে হলো !!!!আমাদের এই সাদামাটা ব্লগার (নন-এক্সপার্ট) ভাইটি চিরদিন এমনি করেই লিখতে থাকুন !!!

শততম পোষ্টে শত কোটি শুভেচ্ছা !!!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: //আমাদের এই সাদামাটা ব্লগার (নন-এক্সপার্ট) ভাইটি চিরদিন এমনি করেই লিখতে থাকুন!!! //হাহাহাহা!

কামরুন নাহার আপা, সামুতে আপনি আসায় ফুলের শুভেচ্ছা পেতে শুরু করলাম। সেই আন্তরিক সব কথাগুলোও পেতে শুরু করলাম।

অনেক কৃতজ্ঞতা!

৩২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৩৮

নাসরিন চৌধুরী বলেছেন: শততম পোস্টের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।
গুরুত্বপূর্ণ পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন:  কবি নাসরিন চৌধুরীকে অনেক কৃতজ্ঞতা।ভালো থাকবেন…..

৩৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:০৫

রোদেলা বলেছেন: এইরকম একটা কঠিন কাজ কেমনে করলেন,সত্যি অসাধারন পোস্ট।প্রিয়তে।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন:  প্রিয়তে যেতে পেরে অনেক খুশি হলাম…. কবি রোদেরা আপা!শুভেচ্ছা জানবেন….

৩৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:০৯

এনামুল রেজা বলেছেন: ব্লগার রাজিবের এই উক্তির সাথে আমি একমত-

ব্লগের দরকার না ফুরিয়ে বলবো আগের থেকে অনেক বেড়েছে। বড় পোস্ট ফেইসবুকে মানুষ পড়তে চায়না দিতে চায়না। আর তথ্য দেবার জন্য ব্লগ এখনো সেরা মাধ্যম। ফেইসবুকে তথ্য খুঁজে পাওয়া খুবই ঝামেলার। ব্লগে লেখা পড়তে বেশ আনন্দ লাগে।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন:  নিশ্চয়ই বেড়েছে ৫বছর আগে মাত্র দু’একটা ব্লগ ছিল। এখন অগণিত ব্লগসাইটের মাঝেও ব্লগারদের তেমন কমতি নেই।শুভেচ্ছা জানবেন, এনামুল রেজা!

৩৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪১

হামিদ আহসান বলেছেন: ভাল লাগল ৷ ব্লগার হিসেবে নিজেদের একটা অবস্থান যেন খুঁজে পেলাম৷ ১২ অার ১৩ নং উক্তি দুটি বিশেষভাবে মনে ধরেছে৷ অার ৩২ নম্বর উক্তিটা তো অামার মনেরই কথা৷শুভেচ্ছা মইনুল ভাই …..

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েছেন, বুঝা যায়। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন হামিদ ভাই…

৩৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪৪

হামিদ আহসান বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য অভিনন্দন ….

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন:  হাহা! অনেক ধন্যবাদ!

৩৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:০৫

টুম্পা মনি বলেছেন: ভালো ব্লগ ভাবনা। 8-| 8-| 8-|সাথে অভিনন্দন।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন:  টুম্পা মনিকে থেংকু!

৩৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: শততম পোষ্টের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই ।।
আরও হাজার হাজার পোষ্ট লিখুন আমাদের জন্য …
আমরা সমৃদ্ধ হই …

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন:  “হাজার হাজার পোস্ট” … হাহাহা, ধন্যবাদ।শুভেচ্ছা জানবেন, মনিরা সুলতানা আপা!

৩৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:১২

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: ভাল লাগছে, পরিচিত অনেককেই পেলাম বলে।
অনেক দিন পরে জামাল হোসেন সেলিন ভাইকেও পেলাম!!!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন:  সবাই আপনার সুন্দর পোস্ট পেলে… এখানেও ভালো লাগবে।শুভেচ্ছা জানবেন, কামরুন নাহার আপা!

৪০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:২২

এহসান সাবির বলেছেন: শততম পোস্টের জন্য শুভেচ্ছা।আমাদের সাথে থাকুন সব সময়।

শুভ কামনা রইল।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন:  অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, এহসান সাবির :)

৪১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৪:২৮

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
ব্লগের বিশালত্ব ত্ব প্রত্যয়টির সূত্র ধরে আমিও দারুণ আশাবাদী। তবে আঙ্গুল দমন করতে চাইলে স্বভাব ও উদ্দেশ্যও তো নিয়ন্ত্রণ করা চাই। পাঠককে হেয় করে লেখালেখি বেশিদূর এগিয়ে নেওয়া যায় না, ষোলআনা জানাশুনা পাঠক সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন কিন্তু। প্রেরণার বিষয়ে দ্বিমত করছি না। আবার বলতেও হয় তৈলোসঙ্গ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা চাই। রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও চলেছেন ….জনাব,
শুভ কামনায় কোনও কমতি রাখলাম না। ভালো থাকবেন।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ক’টি লাইনে আমার পোস্টের মূলবক্তব্য বলে দেওয়া আপনার কাজ, প্রিয় অন্ধবিন্দু।তৈলোসঙ্গ…. চমৎকার শব্দ কয়েন করেছেন…হাহাহা!

জনাব, আপনি কোন কমনি রাখেন না কোন সময়। অনেক কৃতজ্ঞতা জানবেন… এবং ভালো থাকবেন আপনিও!

 

==========================================================================

কমিউনিটি ব্লগ: কেন এখনও মন্তব্য দেবেন – কেন এখনও ব্লগিং করে যাবেন!

১) কেন ব্লগিং করবেন

ব্লগিং করুন, নিজের চেতনা ও বিশ্বাসকে প্রকাশ ও পরীক্ষা করার জন্য। আমাদের কিছু বিশ্বাস শক্তি যোগায়, অধিকাংশই শক্তিকে রোধ করে! কিছু সংস্কার অস্তিত্বের কথা বলে, অধিকাংশই কুপমুণ্ডুক করে তোলে। কিছু ধারণা পথনির্দেশ হয়ে কাজ করে, অধিকাংশই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। কিছু বিষয়ে আমাদের জ্ঞান পর্যাপ্ত, অধিকাংশ বিষয়েই আমরা জানি না। জানা ও না জানার মধ্যে উপযুক্ত সেতুবন্ধন এনে দেয় আত্মপ্রকাশের। আত্মপ্রকাশ না ঘটলে আত্মমূল্যায়ন হয় না। বিভিন্ন বয়সের বৈচিত্রময় রুচির বাঙালিকে নিয়ে গড়ে ওঠেছে বাংলা ব্লগ। আত্মপ্রকাশের সুপরিসর মাধ্যম! সবচেয়ে কার্যকর প্রেরণা পাওয়া যায় ব্লগ থেকে। ‘প্রাইসলেস প্রেরণা’ আসে সহব্লগারদের সাহচর্য্য থেকে। ব্লগ থেকে যে প্রেরণা পাওয়া যায়, রবীন্দ্র-নজরুল-শেইক্সপিয়র-ওয়র্ডসওয়র্থরাও তাতে হিংসা করতেন যদি বেঁচে থাকতেন। ব্লগিং করি সৃষ্টির জন্য। সমাজকে শুদ্ধতার পথে এগিয়ে নেবার জন্য।

২) কীভাবে ব্লগিং করবেন

ব্লগিং করার প্রযুক্তিগত বিষয় সম্পর্কে বলার আর কিছু নেই। টাইপিং আর ইন্টারনেট ব্যবহারের মৌলিক বিষয়গুলো জানা থাকলেই হয়। তাছাড়া, যে কোন ব্লগসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করে লেখতে শুরু করা যায়। কেউ কেউ ফেইসবুকেও ব্লগিং জুড়ে দেয়। টুইটারে নিজের মনের কথা প্রকাশ করা যায় – ওটাও ব্লগিং। মাইক্রো ব্লগিং। নিজস্ব ব্লগসাইট থাকতে পারে ব্লগস্পট অথবা ওয়ার্ডপ্রেসে।

ব্লগিং করতে গিয়ে কী বিষয়ে লিখতে হবে, কীভাবে মন্তব্য করতে হবে এবিষয়ে ধারণা না থাকলে অবশ্য প্রযুক্তির দক্ষতা খুব কাজে আসে না। ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে লেখা ও মন্তব্য করা প্রায় সমান গুরুত্বের। বাকি থাকলো, লেখার বিষয় ও লেখার মান। সৃজনশীল লেখক হলে লেখার গুণগত মান ‘প্রেরণা’ থেকেই আসে। কবিতা, ছড়া বা গল্প লেখায় হাত থাকলে শুধু লেখে গেলেই সেটাকে এক প্রকার ব্লগিং বলা যায়। কিন্তু পাবলিক ব্লগে ভালো লেখার পাশাপাশি কিছু বেইসিক এটিকেটও মেনে চলতে হয়।

৩) সৃজনশীল লেখক না হলে কী করবেন

নিজের স্বাভাবিক আগ্রহ অনুসারে যে ধরণের লেখা ভালো লাগে, সেগুলোতে নিয়মিত দৃষ্টি দেওয়া যায়। কারও কবিতা ভালো লাগলে, তিনি একান্তই কবিতার প্রতি মনযোগ নিবদ্ধ রাখতে পারেন। কবিতা পড়ে কবিতায় মন্তব্য দিন। মন্তব্য দিন আন্তরিকভাবে – প্রকাশ করুন নিজের অনুভূতিকে। কবিতার অর্থ লেখক আর পাঠকের জন্য ভিন্ন হতেই পারে। নিঃসঙ্কোচে নিজের মন্তব্য দিলে সেটি হতে পারে আত্মপ্রকাশের প্রথম মাধ্যম। একই কথা গল্প, ছড়া, ট্রাভেলগ অথবা প্রবন্ধের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। মন্তব্য থেকেই লেখক হবার প্রথম তালিম পাওয়া যায়, যদি সেটি আন্তরিক মন্তব্য হয়। আন্তরিক মন্তব্য দেবার প্রথম শর্তটি হলো, অন্যের লেখাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা।

৪) লেখার ‘বিষয়’ কোথায় পাই

লেখার জন্য চাই পর্যাপ্ত পড়া এবং জীবনকে দেখার সুযোগ। যারা স্ব স্ব জীবনের অধিকাংশই দেখতে পেরেছেন, তারা হাতে কলম নিলেই তা যেকোন এক প্রকার লেখা হয়ে যায়। কিন্তু এটি একমাত্র পথ নয়। বই/সংবাদপত্র পড়ার আগ্রহ থাকলে, প্রিয় বই/খবরটি পড়ে তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা যায়। কোন বিষয়ে ভালো ধারণা থাকলে, সেটি পোস্ট আকারে প্রকাশ করা যায়। কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রমণ করলে, তার বিবরণ লেখা যায়। দেখা সিনেমাটি মনে ‘দাগ কাটলে’ সেই দাগগুলো লেখায় ফুটিয়ে তোলা যায়। আজ একটি মজার/দুঃখের অভিজ্ঞতা হলো, সেটি নৈর্ব্যক্তিকভাবে লিখে রাখা যায়। নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা বা অনুভূতি সবসময়ই অন্যের জন্য কৌতূহলের বিষয়। নিজের দেখা সমাজ ও রাজনীতি ভালো ও মন্দ দিক নিয়ে বস্তুনিষ্ঠভাবে লেখে গেলে, সেটি হবে নাগরিক সাংবাদিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। মন্তব্যও এক প্রকার ব্লগিং। প্রাথমিক স্তরে থাকলে, নিজের পছন্দ মোতাবেক অন্যের পোস্টগুলো পড়া যায়। পড়ে সেখানে সুন্দর করে একটি প্রতিক্রিয়া রেখে আসা যায়। একটি মন্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্লগারের পক্ষে একটি ‘ব্লগচিহ্ন’। ব্লগের কোন লেখা পড়ে তাতে আন্তরিক মন্তব্য দিলে একজন সুহৃদ বন্ধু লাভ করা যায়। তিনি আপনার মন্তব্যটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পড়ে তাতে প্রতি-মন্তব্য দেবেন। এখান থেকে মৌলিক লেখার হাতেখড়ি পাওয়া যায়।

৫) মন্তব্য কীভাবে দেবো

মন্তব্য হবে মনের মতো। যেভাবে আপনার মন চায়, সেভাবেই দেবেন মন্তব্য। তবে কোন লেখা পড়ে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হলে, সেখানে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ না করাই হবে বিচক্ষণতা। প্রতিক্রিয়া করলে প্রতিপক্ষ সৃষ্টি হবে। প্রতিপক্ষ বানাবার মতো স্বার্থবাদী প্রয়োজনীয়তা ইন্টারনেটে কখনও সৃষ্টি হয় না। নেহায়েত আত্ম-অহংকারের বিষয়। তাই এবিষয়ে একটিই নীতি, কোন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নয় – নো রিএকশন নীতি। পঠিত লেখাটি পুরোপুরি নেতিবাচক হলে, তাতে মন্তব্য না দেওয়াই উত্তম। আংশিক নেতিবাচক হলে, ইতিবাচক দিকটি নিয়ে মন্তব্য করা যায়। অন্যদের মন্তব্য পড়ে সংশ্লিষ্ট লেখক সম্পর্কে ধারণা হবে এবং মন্তব্য দেবার জন্যও নির্দেশনা মিলবে। এখানে একটু সতর্ক থাকতে হবে: অন্যের মন্তব্যের অনুকরণে নিজের মন্তব্যটি লেখা হবে বিপদজনক পদক্ষেপ। হিতে বিপরীত হতে পারে। অন্যের মন্তব্য দ্বারা সরাসরি প্রভাবিত না হয়ে লেখায় নিজস্ব অনুভূতি প্রকাশেই বেশি মনোযোগী হলে ভালো। অনেক সময় ব্লগারদের মধ্যে বিশেষ ইতিবাচক/নেতিবাচক সম্পর্ক থাকার কারণে তাদের বিশেষ মন্তব্য থাকতে পারে। তাই মন্তব্য অনুকরণে সাবধান!

৬) মন্তব্যের উত্তর না দিলে কী করা উচিত

সততার বিকল্প নেই। অনলাইনে সততার ভাবমূর্তি সৃষ্টি করলে তাতে লাভ ছাড়া ক্ষতির কিছু নেই। লেখার জন্যই যদি মন্তব্য দেওয়া হয়, তবে মন্তব্যের প্রতি-উত্তর না পেলে ক্ষতি কি? লেখার মানবিচারে মন্তব্য দিয়ে যাওয়াই হবে সততার পরিচয়। মন্তব্য না দেবার একমাত্র কারণ হতে পারে, লেখকের লেখাটি যথেষ্ট মানসম্পন্ন না হওয়া। এই যদি হয় মন্তব্যকারীর উদ্দেশ্য, তবে নতুন লেখকদের লেখাতেও দৃষ্টি দেওয়া উচিত। ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্য দেওয়া উচিত। নতুন লেখকদেরকে প্রেরণা দেবার জন্য একটু পক্ষপাতিত্ব করা যেতে পারে। অর্থাৎ ভালো লেখার চেষ্টা করা হলেও, সেটিকে স্বীকৃতি দিয়ে মন্তব্য দেওয়া যেতে পারে। নতুন লেখকেরা মন্তব্যের যথাযথ উত্তর নাও দিতে পারেন। নতুন লেখক বলতে নতুন নিবন্ধিত লেখক বুঝাচ্ছি।

৭) নতুন নিবন্ধনকারী লেখকদের প্রতি কেমন আচরণ থাকা উচিত

নতুন নিবন্ধনকারী মানেই যে নতুন লেখক, তা কিন্তু নয়। নতুন নিবন্ধিতরা অনেক ভালো লেখকও হতে পারেন। হয়তো কর্মজীবনের ব্যস্ততা অথবা ব্লগ সম্পর্কে না জানার কারণে আসতে পারেন নি। ব্লগে নতুন হলেও তাদের লেখায় পরিপক্কতা থাকতে পারে। অন্যদিকে অনেক প্রাপ্তবয়স্ক এবং পুরাতন লেখকের লেখাও বালখিল্যতাপূর্ণ হতে পারে। কাউকেই তাচ্ছিল্যপূর্ণ বা অসম্মানজনক মন্তব্য করা উচিত হবে না। অন্যদিকে কমবয়সী লেখকের মধ্যেও থাকতে পারে প্রাপ্তবয়স্কের পটুতা। পুরোটাই জীবনবোধের ওপর নির্ভর করে। সকল অবস্থায় পোস্টের কনটেন্টসই হোক মান যাচাইয়ের মাধ্যম। ২০০৫ থেকে ২০১০ এর মধ্যে যারা ব্লগিংয়ে জড়িয়েছেন, অথবা যারা বিগত ৪/৫ বছর যাবত ব্লগিং করছেন, বয়সে কম হলেও তাদের অনেকে মন্তব্যে দুর্বিনীত বা অহংকারী হতে দেখা গেছে। এসব প্রবণতা নতুন ব্লগারদের আসা ও থাকার পরিবেশকে বৈরী করে তোলে।

৮) নিজের লেখায় প্রেরণাদায়ক/প্রাসঙ্গিক মন্তব্য পেলে কী করা উচিত

আন্তরিকভাবে এবং যথাসম্মানে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। মন্তব্যকারীর উদ্দেশ্য যা-ই হোক লেখকের জন্য এটি বিরাট পাওয়া। প্রকৃত লেখকের কাছে একটি মন্তব্য একটি প্রেরণা। অন্যের দৃষ্টিতে নিজেকে দেখা যে কতটা আনন্দের, সেটি ভালো লেখকমাত্রই বুঝতে পারেন। নিজের লেখায় অন্যের উপস্থিতিকে সম্মান করার মানে হলো মেহমানের সেবা করা। যথাসময়ে মন্তব্যের উত্তর দেওয়া উচিত এবং প্রতি-উত্তর হওয়া উচিত মন্তব্যের ক্রমানুসারে। ২০নম্বর মন্তব্যকারী যত গুরুত্বপূর্ণই হোক না কেন তিনি যেন ১২নম্বর মন্তব্যকারীর আগে উত্তর না পান। মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরি হতে পারে, কিন্তু পরাম্পরায় যেন ভুল না থাকে। কেউ মন্তব্য দিতে শুরু করেও কিছু সময় বিরতি দিয়ে দিয়ে একেকজনের উত্তর দেন। পাঠক তার চতুরতা বুঝতে পেরে দুঃখ পান। পাঠকের মন ভাঙ্গা ব্লগ লেখকের জন্য কল্যাণকর নয়, কারণ এটি একটি ইন্টারএকটিভ ফোরাম। একদিন দু’দিন দেরি হতে পারে, অনলাইনে আসতে না পারলে মাসাধিকও দেরি হতে পারে। কিন্তু সময় নিয়ে একসাথে সকলের উত্তর দেওয়া এবং দেরিতে উত্তর দিলে দুঃখ প্রকাশ করা উত্তম স্বভাব।

৯) নিজের লেখায় পাঠকের পরামর্শ/সংশোধন পেলে কী করা উচিত

পরামর্শটি সঠিক না হলেও ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা উচিত কারণ, পাঠকের উদ্দেশ্য যা-ই হোক, সকলের কাছে এর অর্থ হলো লেখার মানউন্নয়ন করা। পাঠকের পরামর্শকে ভুল বলার আগে বিভিন্ন উৎস থেকে যাচাই করে নিতে হবে, সকল দৃষ্টিকোণ থেকে সেটি ভুল কিনা। পরামর্শটি একান্তই ভুল হলে, বিনীতভাবে এবং অল্প কথায় সেটি বলা যেতে পারে। সঠিক হলে তো কোন কথাই নেই, ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা না বলে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। তবে যারা চোখ বন্ধ করে ইতিবাচক-নেতিবাচক সকল সংশোধন সম্মানের সাথে গ্রহণ করেন, তারা অনেক বিচক্ষণ।

১০) নিজের লেখায় তাচ্ছিল্যপূর্ণ/অসম্মানজনক/অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য হলে কী করা উচিত

‘নো রিএকশন নীতি’ মোতাবেক কিছুই করা উচিত নয়। (কারণ যতই লেখবেন, ততই ক্যাচাল বাড়বে। শেষে দেখবেন শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে দু’একটা কিল-গুঁতো দেবার খায়েস জাগতেছে। কিন্তু সেটি তো সম্ভব নয়। অতএব, অহেতুক খায়েস জাগিয়ে লাভ কী!) অন্য লেখক/পাঠকেরাই তার মূল্যায়ন করবেন। অন্তরটা একটু বড় থাকলে ধন্যবাদ বা শুভেচ্ছাও দেওয়া যেতে পারে, কারণ তার একটি মন্তব্য মানেই লেখার জন্য একটি ইতিবাচক সাড়া। মন্তব্যকারীর অসম্মানজনক মন্তব্য প্লাস লেখকের ধন্যবাদ: এর যোগফল যায় লেখকের পক্ষে। প্রতিক্রিয়া দেখালে সেটি অন্য লেখকদের মনেও নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। সবচেয়ে ক্ষতিকর বিষয়টি হলো, এতে লেখকের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। একান্তই যদি ‘রিএকশন নীতি’ অনুসরণ করতে হয়, তবে সম্মানের সাথে ‘মাত্র একবার’ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করা যেতে পারে। এরপর একাধিকবার মন্তব্য আসলেও আর উত্তর দেবার প্রয়োজন নেই। এসব বিষয় খেয়াল করেই প্রথম প্রতিক্রিয়াটি পরিপূর্ণভাবে দেওয়া উচিত।

১১) ব্লগসাইটের ব্যবস্থাপনায় বা সঞ্চালনায় অভিযোগ থাকলে কী করা উচিত

পাবলিক ব্লগ একটি সামাজিক ক্ষেত্র। বাস্তবিক জীবনে যেমন সমাজে আছে সমাজপতি আর মোড়ল, ব্লগেও তেমনি আছে। কুমিরের সাথে ঝগড়া করেও জলে বাস করা যায়। তবে কুমিরের মতো স্বভাব ও শক্তি থাকতে হয়। সেটি না থাকলে এবং ভবিষ্যতে মোড়ল হবার দুরারোগ্য ব্যাধি (মজা করে বললাম) না থাকলে, সংশ্লিষ্ট ব্লগসাইটের বিধি মোতাবেক কর্তৃপক্ষকে জানানোটাই উত্তম পন্থা। এ নিয়ে আরেকটি পোস্ট খরচ করার মতো মোড়ল ব্লগারও আছেন। তাদেরকে সেটি করতে দেওয়াই উত্তম। তবে মজার ব্যাপার হলো, ব্লগ কর্তৃপক্ষের বিপক্ষে পোস্ট দিলে তাতে প্রচুর হিট পাওয়া যায় এবং সহজেই বিখ্যাত হওয়া যায়। এসবের ভালো-মন্দ উভয় দিক আছে। ভালো দিকটি তাৎক্ষণিকভাবে আসে কিন্তু থাকে না। মন্দটি থাকে গোপনে অনেকদিন, চিরদিন। বিধিমোতাবেক জানাবার পরও কোন ফল না হলে এবং সমস্যাটি দুঃসহ ও সর্বজনব্যাপী হলে, সবকিছু মূল্যায়ন করে একটি পরিপূর্ণ পোস্ট দেওয়া যেতে পারে। সেটি অভিযোগ পোস্ট হিসেবে নয়, স্থায়ি এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রবন্ধ আকারে দেওয়া যেতে পারে। (৫ ডিসেম্বর ২০১৪)

উৎসর্গ: ৬ষ্ঠ বাংলা ব্লগ দিবস ২০১৪। ব্লগ ও ব্লগারের জন্য গতানুগতিক কিছু চিন্তাকণা উপহার হিসেবে নিবেদন।

——————————
ব্লগ ও ব্লগিং বিষয়ে সামু’তে প্রকাশিত আরও কয়েকটি পোস্ট:
ক. সংকলিত ব্লগ লেখার কৌশল
খ. ৩৯টি ব্লগিং অভিজ্ঞতা
গ. আধুনিক ব্লগারদের ১০টি প্রিয় ভুল
ঘ. লেখকের প্রতি পাঠকের আস্থা
ঙ. অন্যের পোস্টে সৃজনশীল মন্তব্য
চ. ‘মন্তব্য’ নিয়ে সামু’র সহব্লগারদের মন্তব্য
ছ. ব্লগার হিসেবে মালালা ইউসুফজাই
জ. ভারচুয়াল পারসোনালিটি – একটি আলোচনা
ঝ. বাংলা ব্লগের সম্ভাবনা

————————–
‘কেন ব্লগিং করবেন’ শীর্ষক অনুচ্ছেদটি লেখকের অন্য একটি লেখা থেকে উদ্ধৃত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ব্লগ দিবস; ব্লগিং ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাঙলায় ব্লগিং  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর…এডিট করুন | ড্রাফট করুন | মুছে ফেলুন

২১৫ বার পঠিত১২৪৮১১

=======================================================================================
পোস্টটি প্রথমে সামহোয়্যারইন ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে। সেখান থেকেই সরাসরি স্থানান্তরিত!
=======================================================================================

 

৪৮টি মন্তব্য

১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৭:৩৯

বাড্ডা ঢাকা বলেছেন: সুন্দর এবং খুবয় উপকারী একটি পোষ্ট ।

পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম ।

পোষ্টটি কৃতপক্ষ স্টিকি করলে সকল ব্লগারের জন্য ভাল হতো ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে!
শুভেচ্ছা জানবেন :)

২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৮:৪৫

তোমোদাচি বলেছেন: গবেষনা মূলক লেখা; সময় নিয়ে পড়তে হবে; সংগ্রহে রেখে দিলাম।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন:

কৃতজ্ঞতা জানবেন, প্রফেসর :)

৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৫২

ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: চমৎকার একটি পোষ্টে প্রথম লাইক সহ প্রিয়তে।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে….. ইমতিয়াজ১৩ :)

৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০৭

ডি মুন বলেছেন:

পাবলিক ব্লগে ভালো লেখার পাশাপাশি কিছু বেইসিক এটিকেটও মেনে চলতে হয়।

মন্তব্য দিন আন্তরিকভাবে – প্রকাশ করুন নিজের অনুভূতিকে।

নিঃসঙ্কোচে নিজের মন্তব্য দিলে সেটি হতে পারে আত্মপ্রকাশের প্রথম মাধ্যম।

মন্তব্য থেকেই লেখক হবার প্রথম তালিম পাওয়া যায়, যদি সেটি আন্তরিক মন্তব্য হয়। আন্তরিক মন্তব্য দেবার প্রথম শর্তটি হলো, অন্যের লেখাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা।

কোন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নয় – নো রিএকশন নীতি। পঠিত লেখাটি পুরোপুরি নেতিবাচক হলে, তাতে মন্তব্য না দেওয়াই উত্তম। আংশিক নেতিবাচক হলে, ইতিবাচক দিকটি নিয়ে মন্তব্য করা যায়।

যথাসময়ে মন্তব্যের উত্তর দেওয়া উচিত এবং প্রতি-উত্তর হওয়া উচিত মন্তব্যের ক্রমানুসারে।

মজার ব্যাপার হলো, ব্লগ কর্তৃপক্ষের বিপক্ষে পোস্ট দিলে তাতে প্রচুর হিট পাওয়া যায় এবং সহজেই বিখ্যাত হওয়া যায়। এসবের ভালো-মন্দ উভয় দিক আছে। ভালো দিকটি তাৎক্ষণিকভাবে আসে কিন্তু থাকে না। মন্দটি থাকে গোপনে অনেকদিন, চিরদিন। বিধিমোতাবেক জানাবার পরও কোন ফল না হলে এবং সমস্যাটি দুঃসহ ও সর্বজনব্যাপী হলে, সবকিছু মূল্যায়ন করে একটি পরিপূর্ণ পোস্ট দেওয়া যেতে পারে। সেটি অভিযোগ পোস্ট হিসেবে নয়, স্থায়ি এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রবন্ধ আকারে দেওয়া যেতে পারে

সকালবেলা ব্লগে লগ ইন করতেই মইনুল ভাইয়ের দিক নির্দেশনামূলক পোস্ট, এর চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে। :)

পুরো লেখাটাই এক কথায় অসাধারণ। তবে এই পোস্টের শুরুটা অর্থাৎ প্রথম প্যারাটা আমার কাছে দুর্দান্ত মনে হয়েছে। প্রত্যেকটি শব্দ, বাক্য ভালো লেগেছে। সার্থক উপস্থাপনা/ভূমিকা যাকে বলে।

পোস্টে উল্লিখিত অনেককিছুই মেনে চলা হয়, আবার অনেক বিষয়ে আরো নজর দিতে হবে। নিজেকে আরো সংযত ও সহনশীল করতে হবে।

নতুন পূরাতন যে কেউ এই পোস্টটি থেকে উপকৃত হবেন বলে আশাকরি।

প্লাসসহ প্রিয়তে++++

শুভসকাল মইনুল ভাই
ভালো কাটুক সারাদিন
:)

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন:

ডি মুন আপনার স্বভাবজাত আন্তরিক ও বিশ্লেষণী মন্তব্য আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয় নি।

বাংলা ব্লগ হোক স্বদেশপ্রেমে উজ্জীবিত…. এরকম আশা থেকেই প্রকাশ করে যাচ্ছি আদর্শ ব্লগের স্বপ্নগুলো….

আপনাদের মতো প্রতিশ্রুতিশীল লেখকেরাই পারেন বাংলা ব্লগের নতুন গতিপথ নির্ধারণ করতে।

অনেক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানবেন…. :)

৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০৮

শাহরীয়ার সুজন বলেছেন: বাহ…ব্লগিং বিষয়ে অনেক কিছু শিখে ফেললাম। ধন্যবাদ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন:

আপনাকেও ধন্যবাদ…
শুভেচ্ছা জানবেন :)

৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:১২

জুন বলেছেন: ব্লগ সম্পর্কে ধারণালাভের জন্য গুরুত্বপুর্ন পোষ্ট

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন:

জুনাপা, থেংকু :)

৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:১৬

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন: দারুণ উপকারী পোস্ট।

প্রিয়তে রাখলাম।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন:

থ্যাংকস :)

৮. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:২১

মামুন রশিদ বলেছেন: লেখাটিকে একটি ‘ব্লগিং গাইডলাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় । ব্লগিংয়ের জরুরী সবগুলো ব্যাপার সুন্দর এবং সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন ।

মন্তব্য থেকেই লেখক হবার প্রথম তালিম পাওয়া যায়, যদি সেটি আন্তরিক মন্তব্য হয়। আন্তরিক মন্তব্য দেবার প্রথম শর্তটি হলো, অন্যের লেখাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করা।

উপরের কথাটি শতভাগ সত্য ।

শীতের মিষ্টি সকালের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ, জনাব মামুন রশিদ ভাই :)
অফিস থেকে ফিরে মন্তব্যের উত্তর লিখছি…..
শীতের মিষ্টতা না থাকলেও আছে সন্ধার স্নিগ্ধতা….
তা দিয়েই আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই :)

৯. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৪৫

আবু শাকিল বলেছেন: ব্লগ সম্পর্কে জানার জন্য চমৎকার ।

মামুন ভাইয়ের সাথে একমত।

” লেখাটিকে একটি ‘ব্লগিং গাইডলাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা যায় । ব্লগিংয়ের জরুরী সবগুলো ব্যাপার সুন্দর এবং সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন ।”

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা, আবু শাকিল ভাই :)

১০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫৮

ইছামতির তী্রে বলেছেন: ‘ব্লগিং ম্যানুয়াল’।

খুব ভাল লিখেছেন। আমাদের অনেকের উপকারে আসবে এটি।

স্বচ্ছ, সুন্দর এবং মননশীল ব্লগিং পরিবেশ কামনা করি।

ভাল থাকবেন।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন:

অনেকের উপকারেই আসলেই আমি খুশি….

ধন্যবাদ আপনাকে, ইছামতির তীরে.. :)

১১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:২৪

মোঃরাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, আমাদের নতুন নিবন্ধিত ব্লগাদের জন্য এ রকম একটি শিক্ষামূলক পোষ্ট দেওয়ার জন্য।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন:

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা :)

১২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:০৬

সুমন কর বলেছেন: ব্লগিং করার জন্য এ পোস্টটি সকলের পাঠ করা অাবশ্যক।

অতি প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট দেবার জন্য মইনুল ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ।;)

প্লাস সহ প্রিয়তে।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে, সুমন কর….!

বিজয় দিবসের শোভাযাত্রায় আপনাদের অনেককেই খুঁজলাম….
পেলে আনন্দ আরও জমতো…. :)

১৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৪

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্টে অনেক অনেক ভাল লাগা জানিয়ে গেলাম

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২২

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ, লায়লা আপা :)
ভালো থাকুন এই শীতে!

১৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:০৬

ঢাকাবাসী বলেছেন: খুবই সুন্দর দরকারী শিক্ষনীয় একটা পোস্ট, লেখককে ধন্যবাদ।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন:

ঢাকাবাসীকেও অনেক ধন্যবাদ……
ভালো থাকবেন :)

১৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:১৬

আলম দীপ্র বলেছেন: চমৎকার শিক্ষণীয় পোস্ট । শিক্ষকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা । B-)) B-))

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন:

হাহাহাহা! শিক্ষক না, শিক্ষামন্ত্রী! (পদবি ভুলে গেলে কিন্তু পদত্যাগ করবো! ;) )

ধন্যবাদ আপনাকে, দীপ্র :)

১৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:১৭

এনামুল রেজা বলেছেন: সাস্থ্যকর পোস্ট মইনুল ভাই।
ব্লগিং এর সময় এসমস্ত বিষয়ের সবটা মাথায় রেখে যদি কাজ করা যায়, ব্লগারের উৎসাহ, সৃজনশীলতা কিংবা সততা সব কিছুই গতী পাবে।

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন:

‘স্বাস্থ্যকর পোস্ট’……. হাহাহাহা!
সবার ব্লগীয় স্বাস্থ্য ভালো থাকুক…. এই আমি চাই।
আপনাকে পেয়ে খুশি হলাম, এনামুল রেজা :)

১৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৫

চিরতার রস বলেছেন: ওয়াউ :D

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন:

আপনাকে পাওয়া তো ভাগ্যের বিষয়, জনাব চিরতার রস!
আপনারা না থাকলে নতুনেরা পথ পাবে কীভাবে?

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা :)

১৮. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:০১

কৌশিক বলেছেন: অসাধারণ!

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন:

একমাসে ১০৫ পোস্ট….মে ২০০৭
কে দিয়েছেন? ব্লগার কৌশিক
সেরা দশ হিট ব্লগারের মধ্যেও ব্লগার কৌশিকের নাম!

কী তুখোড় ব্লগিংয়ে আপনার জড়িয়েছিলেন একেকজন… আপনার সেদিনের কথার সাথে মেলাতে চেষ্টা করলাম।

নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আপনাদের সময়ের ব্লগিং ছিলো অনেক আনন্দময় ও রোমাঞ্চকর….
বেনামী থাকার মধ্যে আরেকটি মজা আছে….

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, কৌশিক ভাই :)

১৯. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:০১

তুষার কাব্য বলেছেন: দারুন একটা পোস্ট..ব্লগিং নিয়ে যাদের আগ্রহ বিশেষ করে যারা নতুন তাদের জন্য তো পথ প্রদর্শকের কাজ করবে…শুভকামনা ভাই….

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে, তুষার কাব্য :)

২০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:২৩

কলমের কালি শেষ বলেছেন: অনেক চমৎকার চমৎকার বিষয় লেখায় উঠে এসেছে। ++++++

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন:

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে :)

২১. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:২০

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাঈনউদ্দিন মইনুল ,

একটি “মইনুলীয়” লেখা ।
বরাবরের মতোই গোছানো, বক্তব্য সমৃদ্ধ । প্রতিটি উপপাদ্যই নিজস্ব ঢংয়ে সয়ম্বরা ।

শুভেচ্ছান্তে ?

২২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫৯

অথৈ শ্রাবণ বলেছেন: আমার মত নতুন ব্লগারের জন্য খুবই কাজের পোস্ট ।

ভালো থাকবেন ভাইয়া ।

২৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৪৬

দীপংকর চন্দ বলেছেন: অন্তর্জালের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আপনার লেখা ভীষণ শিক্ষণীয় আমার নিজের ক্ষেত্রে।

অনেক অনেক ভালো লাগা জানবেন।

শুভকামনা অনিঃশেষ।

ভালো থাকবেন। সবসময়।

২৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৩৯

সোহানী বলেছেন: হুম… কথা ঠিক………. সাথে ++++++

২৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৫২

এমএম মিন্টু বলেছেন: পোষ্টে প্লাস++++++++++++

এবং প্রিয়তে

২৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:০৯

স্নিগ্ধ শোভন বলেছেন: শুভ ব্লগ দিবস!!! !:#P !:#P !:#P

২৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৮

হামিদ আহসান বলেছেন: দরকারী এবং শিক্ষণীয় একটি পোস্ট।

বাংলা ব্লগ দিবসের শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।

২৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:১০

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: ভালো লাগলো ভ্রাতা।।

ভালো থাকবেন সবসময় :)

যে ৫টি প্রশ্ন আপনার ব্লগপোস্টটি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখাবে!

ব্লগিং নিয়ে আমার কিছু প্যাচাল

ব্লগিং নিয়ে আমার কিছু প্যাচাল

 

ব্লগার হয়ে কখনও পোস্ট দিয়ে হতাশ হয়েছেন কি? এমন কি কখনও হয়েছে যে, অনেক যত্ন করে একটি ব্লগ পোস্ট দিলেন, কিন্তু তাতে মাত্র দু’একটি রিসপন্স পেয়েছেন, অথবা একদমই কোন সাড়া মিলে নি? অনেক খাটাখাটনি করে একটি ব্লগ পোস্ট লেখে তাতে পাঠকের সাড়া না পেলে মন খারাপ হবারই কথা। ভবিষ্যতে এধরণের পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য মাত্র ৫টি প্রশ্ন করুন আপনার পরবর্তি পোস্টটি ‘পাবলিশ’ করার পূর্বে।কয়েকটি পোস্টে এরকমভাবে চেক করলে, পরবর্তিতে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে:

 

১) পোস্টটিতে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় (key point) আছে কি না?

২) পোস্টের লেখা কীভাবে পাঠককে উপকৃত করতে পারে?

৩) পোস্টের লেখককে কতটুকু/কীভাবে উপকৃত করতে পারে?

৪) পোস্টে লেখা ও তথ্যের বিন্যাস (format) ঠিক আছে কি না?

৫) পোস্টের শিরোনামটি কি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে?

 

 

পোস্টদাতা তার লেখার ধরণ ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ি লেখার মান যাচাই করবেন। অনলাইন লেখক হিসেবে পরিপক্কতা অর্জন করলে স্বাভাবিকভাবেই কিছু কলা-কৌশল আয়ত্তে চলে আসে। বিষয়গুলোকে অভিজ্ঞ ব্লগাররা বিভিন্নভাবে দেখে থাকবেন। নিচে সংক্ষিপ্তভাবে উপরোক্ত বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

 

  • একটি কেন্দ্রীয় বিষয় থাকা: প্রাসঙ্গিকভাবে অন্য বিষয় বা সাব-সেকশন থাকতে পারে, কিন্তু মূল বিষয় থাকা চাই একটি। একটি শিরোনামে একটি বিষয় নিয়েই লিখুন।

 

  • পাঠককে উপকৃত করতে পারা: নিজের চিন্তা ও জীবনাচারণের সরাসরি মার্কেটিং না করে পাঠক কী চায়, তাতে গুরুত্ব দিতে হবে। পাঠকের মনে কী প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, তার জবাব লেখায় তুলে ধরতে হবে।

 

  • লেখকের নিজস্ব সুবিধা: পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখা, তবু লেখকের একটি উদ্দেশ্য আছে। তার বাস্তবায়ন থাকতে হবে। নতুবা তা হবে শুধুই সময় আর অর্থের অপচয়। পাঠকের কোন করণীয় থাকলে, তা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক এবং উপযুক্ত ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে।

 

  • লেখা ও তথ্যের বিন্যাস: ছাপানো বই হলে কাজটি প্রেসওয়ালাই করতো, কিন্তু অনলাইন লেখককে খেয়াল রাখতে হবে, লেখাটি কমপিউটার স্ক্রিনে দেখতে কেমন দেখাবে। সাব-সেকশনগুলো আলাদাভাবে দেখানো হয়েছি কিনা, বোল্ড ইটালিক আন্ডারলাইন টিক আছে কিনা, উদ্ধৃতিগুলো দেখানো হয়েছে কিনা, তথ্যসূত্র সঠিকভাবে দেখানো হয়েছে কিনা ইত্যাদি চেক করেই ‘পাবলিশ’ বাটনে চাপ দিতে হবে।

 

  • আকর্ষণীয় শিরোনাম: লেখার শিরোনাম দেখেই পাঠক ঠিক করবেন, আপনার লেখাটি পড়বেন কি না। অতএব ভালোভাবে চিন্তা করে শিরোনাম নির্ধারণ করুন। শিরোনামকে লেখার সংক্ষিপ্ত সারাংশও বলা চলে। তবে চটকদার শিরোনাম দিয়ে লেখায় তার প্রতিফলন রাখতে না পারলেও উল্টো ফল হয়।

 

প্রিন্ট মাধ্যমের কথা আলাদা, কিন্তু অনলাইন লেখকের জন্য পাঠক-প্রিয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা। লেখার মান ঠিক রাখার জন্য পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকে নিজের ব্লগ পড়া এবং অন্যের ব্লগ দেখার বিকল্প নেই।

 

লেখাটি কেবল ব্রেইন স্টর্মিং করার জন্য চিন্তার খোরাক হিসেবে তুলে ধরা হলো। উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরও অনেক বিষয় আছে, যা ব্লগের মান বৃদ্ধি করবে। উপরোক্ত কোন্ বিষয়টিকে আপনি বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন, তা তুলে ধরতে পারেন। অথবা, আরও কোন প্রশ্ন আপনার মনে আসলে, তা মন্তব্যের ঘরে লিখে দিতে পারেন। তাতে লেখাটিকে ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ করা যেতে পারে।

 

ঘুড়ি ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তরিত ]

——————-

*বর্তমান যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে, নাগরিক সাংবাদিকতা একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। এটি ক্রমেই সম্প্রসারণ হচ্ছে।  পরামর্শের আকারে লেখা বর্তমান পোস্টটি সৃজনশীল লেখার ক্ষেত্রে ততবেশি প্রাসঙ্গিক নাও হতে পারে।

অন্যের লেখায় ভুল ধরবো, নাকি ধরবো না…?

11111

ব্লগিং নিয়ে আমার কিছু প্যাচাল

 

[   নভেম্বর ৯, ২০১৪   ৬:০২ অপরাহ্ন   ৯০টি মন্তব্য]

 

১) নতুন-পুরাতন, নবীন-প্রবীণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পেশাদার-অপেশাদার, লেখক-পাঠক, রসিক-সমঝদার, সমাজদার সকলের সমাবেশ এই কমিউনিটি ব্লগ। ‘দৃশ্যমান সমাজের’ (virtual society) বৈশিষ্ট্য নিয়ে এব্লগে সহাবস্থান করছেন সব রকমের এবং সব বয়সের লেখক ও পাঠক। পথ, মত ও আদর্শের ভিন্নতার মধ্যেই একটি পাবলিক ব্লগের সৌন্দর্য্য। কিন্ত এসৌন্দর্য্যকে অক্ষুণ্ন রাখার কাজে প্রধান সহায়ক হলেন সহব্লগাররা।

.

ভাষাগত ভুল ধরা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কর্ম। এধরণের ভুলগুলো অনেক সময় আপেক্ষিকও – আমার কাছে যা ভুল, অন্যের কাছে তা সঠিক। একটি প্রতিষ্ঠিত দৈনিক পত্রিকা যাকে লিখছে ‘ইতোমধ্যে’ সকলে সেটিকে দিব্বি ‘ইতিমধ্যে’ লেখে যাচ্ছেন। আমি ভাবতাম ‘ঐকমত্য’, কিন্তু প্রতিষ্ঠিত লেখকরা এটিকে ভুল না বললেও তাদের লেখায় ‘ঐক্যমত্য’ লেখে যাচ্ছেন। ‘সম্মানকে’ অধিকাংশ মানুষ ‘সন্মান’ লেখছে এবং বলছেও। বড় বড় সমঝদার ব্যক্তি আজকাল ‘সন্মান’ বলেন। বিখ্যাতে লেখকরা আত্মাকে লেখছেন ‘আত্না’, সত্ত্বাকে সত্বা, দ্বন্দ্বকে দ্বন্ধ ইত্যাদি। একে বলে আগ্রাসন – ভাষার নীতিতে বিদ্রোহ। ‘আগ্রাসন’ হলো ভাষা বদল বা বহমানতার একটি বড় কারণ। বেশির ভাগ সময়েই ‘আগ্রাসন’ হয় না জানা এবং না মানার কারণে। ‘আমি মানলাম না আপনার ভাষারীতি, হয়েছে?’ এভাবে ‘অবাধ্য ভাষাভাষীদের’ সংখ্যা অধিক হলে এবং কয়েকটি প্রজন্ম অতিক্রম করলেই সেটি অবধারিতভাবে অভিধানে ওঠবে।

.

অনেকেই অভিধান আর ব্যাকরণের কথা বলেন। ব্যাকরণের গায়ে জোয়ালি রেখে তারা অন্যদের চর্চিত ভাষার ক্ষেত্রে আরামে মই দেন। ব্যাকরণ আর অভিধান কুরানের (বাইবেলের/ গীতার/ ত্রিপিটকের) বাণী নয়। অভিধানের কথা বলি: অভিধান সঠিক শব্দটি বলার জন্য নয়, সকল প্রচলিত শব্দকে তালিকাবদ্ধ করার জন্য। ব্যাকরণের কথা বলি: এর প্রধান কাজ মানুষের ভাষাকে শুদ্ধ করা নয়, মানুষের প্রচলিত ভাষাকে শ্রেণীবদ্ধ ও গ্রন্থবদ্ধ করে তা প্রজন্মের জন্য ব্যবহার-উপযোগী করা। আজকের ‘মাইরালা আমারে’ হয়তো একদিন অভিধানে ওঠবে, সেদিন আমরা থাকি বা না থাকি। অভিধানের শব্দটি হলো একদল মানুষের সুচিন্তিত এবং আলোচনাপ্রসূত সংজ্ঞা। একে ‘অর্থ’ বলাটাও সেটি আপেক্ষিক। আকাশ থেকে এসে পড়ে নি। ফলে সেটি অকাট্য বা অলঙ্ঘনীয় নয়।

.

.

.

২) ভুল ধরবো কার? তিনি কি আমার সংশোধন গ্রহণ করবেন? বা সেটি গ্রহণ করার অবস্থানে আছেন? তিনি কোন্ কিবোর্ড ব্যবহার করেন, এর ওপরও অনেকটা নির্ভর করে, তার ভুলটি ইচ্ছাকৃত কিনা। তাছাড়া আছে বয়সের ব্যাপার; সামর্থ্যের ব্যাপার। লেখকের নামটি দেখলেই কিন্তু বুঝা যায় না, লেখক কোন্ স্তরের। বুঝা যায় না, তিনি কোন্ বয়সের। দেখা যাবে যে, ‘পরিমিত ভাষাজ্ঞান’ অর্জনের সময়ই লেখকের হয় নি, অথবা পেশাগত কারণে সেদিকে বেশিদূর হাঁটতে পারেন নি। কিন্তু আমি একটি তুচ্ছ ভুল ধরে, তার লেখার স্পৃহাকে নষ্ট করে দিলাম অথবা আত্মবিশ্বাসকে বেলুনের মতো ফুটো করে দিলাম।

.

ভুল ধরা এক বিষয়, আর নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করা ভিন্ন বিষয়। সামান্য বানান বা ভাষার ভুলের জন্য বিশাল বড় যুক্তি দেবার প্রয়োজন আছে কিনা, মাঝে মাঝে ভাবি। রূপক উপমা ভাষাগত ভুল থাকলে, বা লেখার মধ্যে পরস্পর-বিরোধী বিষয় থাকলে, সেটি যদি উপযুক্তভাবে উপস্থাপন করা না যায়, তবে নিরবে এড়িয়ে যাওয়াই অনেক সময় ভালো মনে হয়। পর্যাপ্ত দৃষ্টান্ত ও ব্যাখ্যা সহকারে এর মূল্যায়ন করা যায়, যেখানে থাকবে লেখার সবল এবং দুর্বল দিকের ভারসাম্যপূর্ণ আলোচনা

.

রাজনৈতিক তথ্য, দেশের মৌলিক ইতিহাস, সামাজিক মূল্যবোধ ইত্যাদি বিষয়ে লেখকের অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকলে, সেক্ষেত্রে ভুল সংশোধন সুযোগ সৃষ্টি হয়।

.

কিন্তু আমি সত্যিই ভুলটি ধরবো কি না, সেটা নির্ভর করছে বেশ কিছু পরিস্থিতির ওপর। যথা:
• ভুল বা নেতিবাচক বিষয়টি সব দৃষ্টিকোণ থেকে যথার্থ কিনা
• লেখকের সাথে সম্পর্ক বা বোঝাপড়া
• লেখক কতটুকু বুঝতে পারবেন, সেই সম্ভাবনা
• লেখক নিজেই সেটি সংশোধন করবেন কিনা, সেই পরিস্থিতি
• ভুলটি পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গিকে ভুলপথে পরিচালিত করার আশঙ্কা আছে কিনা ইত্যাদি

আমরা কেউই সর্বজ্ঞ যেমন নই, তেমনই সকলেই পেশাদার ক্রিটিকও নই। তাই সাহিত্য-বিষয়ক ভুল থাকলে, সেখানে ভারসাম্যপূর্ণ মূল্যায়ন থাকতে হবে। শুধু ভুল দেখালে সেটি একপেশে হয়ে যায়।

.

বিশাল বড় ভুল না হলে এবং তা লেখার মেসেজকে বদলে না দিলে প্রথমত না ধরাই শ্রেয়, যদি সেরকম বোঝাপড়া না থাকে লেখকের সাথে।

.

তারপরও পাবলিক ব্লগ হিসেবে যদি ভুল ধরতেই হয়, সেখানে যেন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধটুকু থাকে। যিনি একটু বেশি জানেন, তাকে এ-ও প্রমাণ করতে হবে যে, তার জ্ঞান তাকে বিনয়ী করতে পেরেছে। প্রকৃত জ্ঞানের মানে যেহেতু ‘নিজের অজ্ঞনতার পরিমাপ’ সেহেতু জ্ঞানের প্রথম বহিঃপ্রকাশ হলো বিনয়ে।

.
.

.

৩) আমি খুব চাই, পাঠক আমার লেখার প্রতি ক্রিটিকেল হোক। অনেক লেখার নিচে ‘নির্দয় সমালোচনা’ করার জন্য একটি নিমন্ত্রণপত্রও জুড়ে দেই। কিন্তু অনেকেই সেরকম মন্তব্য করেন না। এপর্যন্ত যারা করেছেন, তারা আমার খুবই আপনজন এবং ঘনিষ্ট ব্লগার। বুঝা গেলো, আপনজনই কেবল সংশোধনের কথা বলেন। এতে পুরোনো একটি বিশ্বাসই আরও দৃঢ় হচ্ছে। তা হলো, যারা ভুল ধরিয়ে দেন, তারা লেখকের উপকারই করেন। যারা নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনা করেন, তারা গভীরভাবেই লেখাটি পড়েন।

.

বড় ভুল বড় পরিণতি ডেকে আনে। একটি প্রজন্মকে বিভ্রান্ত, সমাজকে বিপথে পরিচালিত করতে পারে। অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করতে পারে এরকম লেখা পেলে, অরাজনৈতিক বিষয় হলে, সেসব লেখার প্রতিবাদ করেছি। লেখক যা-ই মনে করুন, সামাজিক ব্লগে এটি প্রতিটি ব্লগারের দায়িত্ব।

.

নেতিবাচক দিক নিয়েও আমি কিছু লেখায় মন্তব্যের মাধ্যমে জানিয়েছি। বেশ সোজাসুজিভাবেই তা করেছি। সৌভাগ্যবশত, আমার সাথে কারও সম্পর্ক নষ্ট হয় নি এবং আজ তারা আমার অনেক ভালো বন্ধু। এর কমপক্ষে দু’টি কারণ থাকতে পারে: ক) লেখক প্রাজ্ঞ এবং উন্নয়নকামী এবং/অথবা খ) আমার সাথে তার ভালো সম্পর্ক আছে। তাছাড়াও, সমালোচনাটি গ্রহণ করার জন্য লেখককে কমপক্ষে প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে।

.

সবশেষে কথা হলো, সমালোচনা যেন সত্যিই হয় ‘সম আলোচনা’: ইতিবাচক এবং নেতিবাচক বিষয়ের সুষম বিন্যাস। কারও দুর্বল দিকের উন্নয়ন করতে গিয়ে তা যেন ব্যক্তিগত রেষারেষিতে গিয়ে না ঠেকে। সমালোচনা হবে সাহিত্য সমালোচনা এবং যুক্তি ও মননশীলতার সুসমন্বয়।
.
.
.

——————-
পরিমার্জন ছাড়াই প্রকাশ করা হলো।

  • নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

    না জানা দোষের নয়
    তবে জানতে না চাওয়া ক্রাইম!
    সুতরাং ভুল ধরা বা শুধরে দেওয়া
    সকল সচেতন ব্লগার ও পাঠকের
    দ্বায়বদ্ধতা। সুতরাং ভুল ধরুন, শুধরে দিন,
    পরামর্শ সাদরে গ্রহীত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
    ধন্যবাদ মইনুল ভাই।

  • ঘাস ফুল বলেছেন:

    পোস্ট পড়লাম মইনুল ভাই। কিন্তু মন্তব্যটা কী দেবো সেটা নিয়ে ভাবছি। কারণটা মনে হয় আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আপনারই কথা, বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। আপাতত

    সঞ্চালককে পোস্টটা স্টিকি করার অনুরোধ করে গেলাম।

    পরে আবার বিস্তারিত মন্তব্য নিয়ে আসছি। আলোচনা সমালোচনা চলতে থাক (সম ভাবে)।

  • কামাল উদ্দিন বলেছেন:

    মইনুল ভাই, আমি গোবেচারা মানুষ……..জ্ঞাণী কথাগুলো আমার মাথায় ঢোকে কম। তবে আমি মনে করি, কেউ ভুল করলে অন্য কারো যদি সঠিকটা জানা থাকে তাকে সেটা জানানো উচিৎ, সেটা সে মানুক কিংবা না মানুক। তবে সবই হতে হবে মাধুর্য্যতা রক্ষাকরে, কারো মনে কষ্ট দিয়ে নয় (আমার এখানে কয়টা ভুল আছে সেটাও জানতে চাই)

  • আলভী বলেছেন:

    বানান ভীতির কারনেই লিখতে সাহস পাইনা!
    এখানে ক’টা ভুল করেছি মইনুল ভাই?

  • আলভী বলেছেন:

    ‘মাইরালা আমারে’ এটা দারুন লেগেছে আমার কাছে!

  • আলভী বলেছেন:

    ভুলের ভয়ে হয়না লেখা
    মনের ভিতর রাখি
    কেমন করে প্রকাশ করি
    লজ্জায় মরে আঁখি!

  • আলভী বলেছেন:

    সাহস দিলে লিখবো আবার
    নিজের মত করে
    আশা করছি ভুলগুলো সব
    দিবেন আপনি ধরে।

  • সুমন আহমেদ বলেছেন:

    শিরোনামে যে প্রশ্ন রেখেছেন তার উত্তর পোস্টেই আছে। খুব গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো এবং প্রাসঙ্গিক। মনে করি মন্তব্যে উপস্থাপনার ধরনের ওপর নির্ভর করে বিষয়টি। পাশাপাশি যে বিষয়গুলো স্মরণে রাখা ভালো বলে মনে করি –

    ১। উপযুক্ত যুক্তি বিনয়ের সাথে উপস্থাপন।
    ২। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে রেফারেন্স ব্যবহার।
    ৩। সমালোচনার প্রকৃত অর্থ বুঝে সমালোচনা করা।
    ৪। ভুলটাকে সরাসরি তুলে না ধরে ইঙ্গিতে কিংবা “এমন না হয়ে এমন হলে কি ভালো হয়?” -এভাবে বলা।

    ৫। পাঠক অথবা লেখকের যুক্তি যদি উভয়ের কাছে উপযুক্ত না মনে হয় তাহলে পুনরায় পারষ্পারিক যুক্তি তুলে ধরা। এটা না মনে করা আমি বললাম মানলো না! আর বলবো না।

    ৬। পরষ্পরে মন্তব্য আদান-প্রদানে শ্রদ্ধাবোধ রাখা।
    ৭। মন্তব্য গ্রহণ ও প্রদানের মানসিকতা থাকা।

    ৮। কোনো লেখকের লেখা প্রথম পাঠের সময় নিজের পাঠকযোগ্যতাকে উপযুক্তভাবে উপস্থাপনার মাধ্যমে লেখকের মনে একটি আস্থা তৈরি করে নেওয়া, যা থেকে লেখক পাঠকের জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে একটা ধারণা লাভ করবেন।

    ৯। লেখক-পাঠক উভয়ে পারষ্পারিক সু-সম্পর্ক তৈরি করে নেওয়া।
    ১০। পাণ্ডিত্য জাহির নয় উভয় উভয়কে সহযোগিতা করছি এই মনোভাব থেকে ব্লগিং করা।

    খুব দৃষ্টিকটু না হলে বানান ভুল না ধরাই ভালো (কেননা বানানরীতি নিয়ে মতপার্থক্য স্বয়ং ব্যাকরণবিদগণের মধ্যে) আবার লেখকেও সজাগ থাকা দরকার যে তিনি এমন এক স্থানে লেখছেন যেখানে, সব ধরনেরই পাঠক রয়েছেন। এ-ক্ষেত্রে লেখককে নিজেই নিজের লেখার সমালোচকের ভূমিকা নেওয়া অথবা লেখা পোস্ট করবার আগে এ-বিষয়ে তার চেয়ে ভালো জানা-শোনা আছে এমন কাউকে দিয়ে দেখিয়ে নিয়ে পোস্ট করা।

    লেখকে মনে রাখা একজন ভালো সমালোচক হচ্ছে তার প্রকৃতবন্ধু। সমালোচনার আড়ালে আসলে তিনি তাকে সতর্ক এবং সহযোগিতাই করে চলেছেন। আর একজন সমালোচকের মনে রাখা যে, তিনি যা বলছেন তা খুব ভেবে-চিন্তে বলছেন (ভুল ধরার ক্ষেত্রে) এবং সমালোচকের মতামত প্রতিষ্ঠা করার মতো উপযুক্ত যুক্তি তার রয়েছে।

    ব্লগিং শিখতে যেয়ে আমার এ-উপলব্ধিগুলো হয়েছে। আর আপনি যা বলেছেন তাতে শতভাগ সমর্থন রয়েছে।
    ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভালো থাকবেন।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      সুমন আহমেদ ভাই, যথাযথ নির্দেশনা দিয়ে যেমন ভুল সংশোধনের বিষয়টিকে স্পস্ট করেছেন, তেমনি লেখাটিকে দিয়েছেন সমৃদ্ধি।

      আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

      শুভেচ্ছা জানবেন………

  • রোদের ছায়া বলেছেন:

    খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের অবতারণা করেছেন দেখে ভাল লাগল। আপনার এই পোস্ট পড়ে আগামীতে হয়ত কারো লেখায় ভুল ধরতে গেলে সেটা যতোই আন্তরিক ভাবেই হোক না কেন, কিছুক্ষণ ভাবতে হবে। তবে আমার লেখায় সবাইকে ভুল ধরার অবাধ স্বাধীনতা দেয়া হোল।

  • মেজদা বলেছেন:

    এটা তো ভুল ধরা না, এটা সংশোধন করে দেওয়া। যত পারেন আমাকে সংশোধন করে দিন, মাইন্ড খাবো না। এ আমার প্রমিজ ও প্রতিজ্ঞা।

  • জেসমিন বলেছেন:

    কি বলবো বুঝতে পারছি না । অনেকদিন কিছু না বলার অভ্যাস , যেটুকু বলার ছিল তাও খুঁজে পাচ্ছি না । যাই হোক , পড়ে নিজের যেটুকু নেওয়ার সেটুকু নিয়ে নিলাম ।
    বাকি কথা পরে

  • এটা তো ভুল ধরা না, এটা সংশোধন করে দেওয়া। যত পারেন আমাকে সংশোধন করে দিন, মাইন্ড খাবো না। এ আমার প্রমিজ ও প্রতিজ্ঞা।

  • এনামুল হক মানিক বলেছেন:

    আমি মেজদার সাথে একমত । শুভেচ্ছা সবাইকে ।

  • ফেরদৌসা রুহি বলেছেন:

    আপনার এই পোস্ট পড়ার সময় আকিফ তার পড়া নিয়ে এসে বলে ”মা আমার পড়া ধরেন”। আমি বললাম ”আমি খুব ইম্পরট্যান্ট একটা লেখা পড়ছি, এখন ডিস্টার্ব করবেনা”।
    এবার বুঝেন কত গুরুত্ব দিয়ে পড়লাম।
    আপনার প্রতিটা কথার সাথেই একমত তাই আর কিছু কইলামনা ।

  • সোহেল আহমেদ বলেছেন:

    “আজকের ‘মাইরালা আমারে’ হয়তো একদিন অভিধানে ওঠবে, সেদিন আমরা থাকি বা না থাকি। অভিধানের শব্দটি হলো একদল মানুষের সুচিন্তিত এবং আলোচনাপ্রসূত সংজ্ঞা। একে ‘অর্থ’ বলাটাও সেটি আপেক্ষিক। আকাশ থেকে এসে পড়ে নি। ফলে সেটি অকাট্য বা অলঙ্ঘনীয় নয়।”
    =====================
    সুন্দর বলেছেন। হয়তো তা হবে। আমরা আজ যেভাবে লিখি, বঙ্কিম আমলে এ লেখা সাহিত্যে দুরস্ত হতো না। আর অভিধান নিয়ে আপনার ব্যাখ্যাও যুক্তিগ্রাহ্য।

  • রব্বানী চৌধুরী বলেছেন:

    অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানবেন মইনল ভাই।

    যারা ব্লগে লিখেন তাদের জন্য একটি গুরুত্ব পূর্ণ লেখা, আমি মনে হয় একটি ব্লগের কথা জানি যেখানে সামান্য বানানের ভুল খুব বড় করে দেখা হয়, ফলে ব্লগটি এখন দৈউলিয়া দশায় পড়েছে, লেখার মান রাখতে গিয়ে ব্লগ যদি লেখক শূণ্য হয়ে পড়ে বা ভুল বানানের কারনে বা ভয়ে লেখক যদি লেখায় ইতি টানে তবে সেটা সুখকর উন্নতি নয় যদিও আমার এই মতামতটি বাংলা সাহিত্যের বেলায় একটি কু-ফল দিক।

    তবে সবার সঠিক বানানে সঠিক ভাষায় লেখা উচিত, বাবানে বা ভাষায় ঘাটতি থাকলে তা উন্নতি করা দরকার আর যিনি সাহিত্যিক হবে তিনি তো সাহিত্যে অনেক জ্ঞানের অধিকারী হবেনই।

    ঘুড়িতে এক জন লেখক একটি লেখা লিখলেন একজন পাঠক তা পড়ে শুধু মন্তব্য করলেন সৃতি বানানটি ভুল সঠিক হবে স্মৃতি, এমন মন্তব্য কাম্য নয়। পাঠকের উচিত অনেক দক্ষতায় লেখকের ভুলটি তুলে ধরা। তা ছাড়া প্রযুক্তির নানান লেখার অপসনের কারণে অনেকে সঠিক অক্ষর ফুটিয়ে তুলতে পারেন না।

    অনেক অনেক শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      রব্বানী ভাইয়ের পর্যবেক্ষণটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

      ভাষাগত শুদ্ধতা যেন আমাদের মানবিক শুদ্ধতাকে অতিক্রম না করে ফেলে।

      সুন্দর মন্তব্য দিয়ে আলোচনায় যুক্ত হবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  • ঘাস ফুল বলেছেন:

    আলোচনা, সমালোচনা, গঠনমূলক, বিশ্লেষণ, পর্যালোচনা এগুলো সবই প্রকারন্তে একসূত্রে বাঁধা, যা ব্লগিং এর ক্ষেত্রে অপরিহার্য। বিশেষ করে বাংলা ব্লগিং এর ক্ষেত্রে। কারণ বাংলা ব্লগিং এখন আর ব্যক্তিগত ব্লগিং এর পর্যায়ে পরে না। এটা সাহিত্য চর্চার বিকল্প মাধ্যম হিসাবে ইতিমধ্যেই সুপ্রতিষ্ঠিত। এটা বললেও মনে হয় অত্যুক্তি হবে না যে, বাংলা ব্লগিং এখন বাংলা সাহিত্যের মূল ধারার সাথে সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলছে। যার প্রমাণ হিসাবে বই মেলায় ব্লগারদের প্রকাশিত বইয়ের তালিকাই যথেষ্ট, যেখানে ব্লগগুলো সরাসরিও অংশগ্রহণ করছে। তাই ব্লগে প্রকাশিত পোস্টের ওপর আলোচনা ও সমালোচনা সবই হওয়া উচিৎ এবং এগুলো সবাইকে ইতিবাচক হিসাবেই গ্রহণ করা উচিৎ এবং এগুলো গ্রহণের মন মানসিকতাও আমাদের মধ্যে গড়ে উঠা উচিৎ। যদি সেটা করতে আমরা ব্যর্থ হই, তবে বাংলা ব্লগিং একদিন হয়তো হারিয়ে যাবে কিংবা সাহিত্য চর্চার মাধ্যম হিসাবে আর পরিগণিত হবে না, যা আমাদের জন্য সুখকরও হবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।

    আপনি নিজেই যথেষ্ট সুন্দর করে এবং গুছিয়ে লিখেছেন, সেখানে সংযোজন খুব একটা জরুরী নয়। পাশাপাশি সুমন ভাইও চমৎকার একটা মন্তব্য দিয়ে আপনার পোস্টকে ইতিমধ্যেই বেশ বিস্তৃত করে দিয়েছেন। যা অনুধাবন এবং প্রয়োগ করতে পারলেই আপনার পোস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যটা পূরণ হয়ে যাবে।
    আপনি নিজেই আমার পোস্টের মন্তব্যে বলেছিলেন, আজকাল প্রমাণ ছাড়া কেউ কিছু মেনে নিতে চায় না। তাই কিছুটা প্রমাণ দেয়ার চেষ্টা করছি কেবল।
    আপনি বলেছেন, “ভুল ধরা এক বিষয়, আর নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করা ভিন্ন বিষয়।” সুমন ভাই একই কথাকে একটু ভিন্নভাবে বলেছেন। তিনি বলেছেন, “পাণ্ডিত্য জাহির নয় উভয় উভয়কে সহযোগিতা করছি এই মনোভাব থেকে ব্লগিং করা।”
    আপনাদের দু’জনেই যথার্থ বলেছেন। যদি আমরা পাণ্ডিত্য জাহিরের চেষ্টা করি, তখন নিজেদের মধ্যে জেতার একটা প্রবণতা তৈরি হবে। যা লেখক এবং পাঠকের জন্য কখনই সুখকর হবে না। বরং পরস্পর দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হবে, যা পরস্পরের সম্পর্কের অবনতি ঘটাবে। এটা কখনোই আমাদের কাম্য না। আলোচনা হওয়া উচিৎ পরস্পরের উন্নতির জন্য, বিজয়ের জন্য নয়। এই প্রসঙ্গে ফরাসী লেখক Joseph Joubert এর একটা উক্তি উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি বলেছেন, “The aim of argument, or of discussion, should not be victory, but progress.”
    আলোচনার মাধ্যমে আমাদের মধ্যে পারস্পারিক জ্ঞানের বিনিময় হয়, আর বিতর্কে হয় অজ্ঞতা বিনিময়। এই জন্যই অ্যামেরিকান সাংবাদিক Robert Quillen বলেছেন, “Discussion is an exchange of knowledge; an argument an exchange of ignorance.”
    আলোচনা যেমন সাহিত্যের ক্ষেত্রে কিংবা অন্য যেকোনো ব্যাপারেই অগ্রগতিতে ভুমিকা রাখে, সমালোচনাও ঠিক তাই করে। কখনো কখনো সমালোচনা বড় কোন ভুলের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। সমূহ বিপদের আগেই আমাদের সতর্ক করে দেয়। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Winston Churchill তাই যথার্থই বলেছেন, “Criticism may not be agreeable, but it is necessary. It fulfils the same function as pain in the human body. It calls attention to an unhealthy state of things.”
    অ্যামেরিকান পাদ্রি Norman Vincent Peale যা বলেছেন, সেটা সমালোচনাকে গ্রহণ করার মানসিকতাকে নিঃসন্দেহে আরও বাড়িয়ে দেবে। তিনি বলেছেন, “The trouble with most of us is that we would rather be ruined by praise than saved by criticism.”
    তবে যারা আমরা কোন মতেই সমালোচনাকে সহ্য করতে রাজি নই, তাদের জন্য অ্যামেরিকান লেখক Elbert Hubbard খুব সুন্দর উপায় বাৎলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “To avoid criticism, do nothing, say nothing, and be nothing.”
    আর কী অনেক হয়ে গেলো বোধ হয়! দুঃখিত। আপনার পোস্ট এবং সুমন ভাইয়ের মন্তব্য দুইয়ে মিলে যা আছে, যা আমাদের বুঝার জন্য এবং অনুধাবনের জন্য যথেষ্ট। দায়িত্বটা এখন আমাদের ওপর। আমরা কীভাবে আপনার পোস্ট এবং সুমন ভাইয়ের মন্তব্যটা গ্রহণ করছি এবং কীভাবে এটা নিজেদের মধ্যে প্রয়োগ করছি।
    অনেক ধন্যবাদ মইনুল ভাই। আপনার পোস্ট আমাদের সবার চোখ খুলে দিক। তবে হয়তো ব্লগিংটা সবার কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠবে, যা আমাদের বাংলা সাহিত্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বহুদূর। ব্লগিং তখন অমরত্ব পেয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      //আলোচনা হলো জ্ঞানের বিনিময়, বিবাদ হলো অজ্ঞানতার বিনিময়//
      -হাহাহা! দারুণ উদ্ধৃতি।

      //বাংলা ব্লগিং এখন বাংলা সাহিত্যের মূল ধারার সাথে সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলছে। যার প্রমাণ হিসাবে বই মেলায় ব্লগারদের প্রকাশিত বইয়ের তালিকাই যথেষ্ট, যেখানে ব্লগগুলো সরাসরিও অংশগ্রহণ করছে। তাই ব্লগে প্রকাশিত পোস্টের ওপর আলোচনা ও সমালোচনা সবই হওয়া উচিৎ এবং এগুলো সবাইকে ইতিবাচক হিসাবেই গ্রহণ করা উচিৎ এবং এগুলো গ্রহণের মন মানসিকতাও আমাদের মধ্যে গড়ে উঠা উচিৎ।//
      -চমৎকার সংযুক্তি!

      বিশাল বড় মন্তব্যটি যেন ভারসাম্যপূর্ণ মন্তব্য প্রদানে সকলকে প্রেরণা দেয়।

      আপনার সুচিন্তিত মন্তব্য সবসময় আমাকে উৎসাহ যোগায়, ঘাসফুল।
      ভালো থাকবেন……….

  • কে এম রাকিব বলেছেন:

    সমালোচনা হবে সাহিত্য সমালোচনা এবং যুক্তি ও মননশীলতার সুসমন্বয়।
    সুন্দর আলোচনা করেছেন। প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে সাজিয়েছেন।

    সমালোচককে আমি আমার প্রকৃত বন্ধু মনে করি। কারণ আমি তো জানি যা লিখি কিছু হয় না। কিন্তু কিছু সমালোচক ব্লগারের কাছ থেকে যা আমি শিখতে পেরেছি( যদিও আমার ব্লগিং লাইফ অল্পদিনের) তাকে অমূল্য মনে করি।

    ## পোস্টটিকে স্টিকি করতে সঞ্চালককে অনুরোধ করছি।

    শুভেচ্ছা ও ভালবাসা জানুন মাঈনউদ্দিন মইনুল ভাই।

  • সোহেল আহমেদ বলেছেন:

    তারপরও পাবলিক ব্লগ হিসেবে যদি ভুল ধরতেই হয়, সেখানে যেন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধটুকু থাকে। যিনি একটু বেশি জানেন, তাকে এ-ও প্রমাণ করতে হবে যে, তার জ্ঞান তাকে বিনয়ী করতে পেরেছে। প্রকৃত জ্ঞানের মানে যেহেতু ‘নিজের অজ্ঞনতার পরিমাপ’ সেহেতু জ্ঞানের প্রথম বহিঃপ্রকাশ হলো বিনয়ে।
    =============================
    পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধটুকু খুব জরুরী। অনেকসময় ভুলটা একটু কৌশলে ঠিক করে দেয়া যায় । ভুল শব্দটার শুদ্ধ ব্যবহার করে একটা মন্তব্য করা বা অন্য ভাবেও করা যেতে পারে। আজকের দিনে, শিক্ষকগণও বন্ধুর মতো।

    অনেক ধন্যবাদ প্রিয় মইনুল ভাই

  • এম এ কাশেম বলেছেন:

    সহমত মাইনুল ভাই

    শুভেচ্ছা নেবেন।

  • হামিদ বলেছেন:

    আপনার সুচিন্তিত পোস্টে অকৃত্রিম সহমত ………………..

    ভুল যে ধরল তার এটিচিউড একটি বড় ফ্যাক্টর। এক জায়গায় আমি অনেক চেষ্টা করেও কীবোর্ডের সমস্যার কারণে রেফ দিতে পারছিলাম না। এখন একজন যদি আমাকে বলে:

    কী লেখেন এসব। আগে ভাষা শিখে তারপর লেখেন – তাকে আমি কষে গালি দিবই দিব।

    আমি ছাত্র জীবনে একটা প্রকাশনায় কাজ করতাম। যত বড় লেখকই হোক না কেন পান্ডুলিপিতে অসংখ্য বানান ভুল থাকবেই। এমন না যে লেখক বানান জানেন না। পান্ডুলিপি লেখার সময় বানানের লেখার ভাবের দিকে মন বেশি নিবদ্ধ থাকে। ব্লগ এখনকার ব্লগ লেখাটা পান্ডুলিপির জায়গায় ধরতে হবে। এখানে বানান ভুল ধরার কছিু নাই। যখন দরকার হবে ঠিক করে নয়ো যাবে। বানান সম্পর্কে কেউ অসচেতন নয় বা এটা এমন বিদ্যা নয় যে কেবল পন্ডিতগণ পারবেন। বরং পন্ডিতদের বানান ঠিক করার জন্য প্রেসে প্রূফরিডার রাখতে হয় যারা একটি ছোট্ট রচনা লেখারও যোগ্য নয়।

    সবচেয়ে বড় কথা আমি বাজি ধরে বলতে পারি যারা অন্যের বানান ভুল ধরে খুব ভাব নেয় তাদেরকে ইন্সট্যান্ট একটা পেজ অভিধান না দেখে লেখতে দেন দেখবেন বানান ভুলে তারাও এভারেজদের কাতারে।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      //ভুল যে ধরল তার এটিচিউড একটি বড় ফ্যাক্টর।//

      হুম। এর অনুপস্থিতি দেখে মাঝে মাঝে নিজেই লজ্জা পাই।

      অভিধান কীভাবে লেখককে অচল করে দেয় দেখুন: একজন বাঙলার প্রফেসরকে আমি দেখেছি একটি বাক্য লেখতে অন্তত তিনবার অভিধান বের করতে।

      শুভেচ্ছা জানবেন, হামিদ ভাই।

  • হামিদ বলেছেন:

    এ পোস্টটি স্টিকি করলে ভাল হয় ।

  • তাপসকিরণ রায় বলেছেন:

    বেশী না লিখে আমি শুধু ঘাস ফুলের মন্তব্যের সামান্য অংশ তুলে দিলামঃ
    আপনি(লেখক)নিজেই যথেষ্ট সুন্দর করে এবং গুছিয়ে লিখেছেন, সেখানে সংযোজন খুব একটা জরুরী নয়। পাশাপাশি সুমন ভাইও চমৎকার একটা মন্তব্য দিয়ে আপনার পোস্টকে ইতিমধ্যেই বেশ বিস্তৃত করে দিয়েছেন। যা অনুধাবন এবং প্রয়োগ করতে পারলেই আপনার পোস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যটা পূরণ হয়ে যাবে।
    ধন্যবাদ।

  • আমির হোসেন বলেছেন:

    পাণ্ডিত্য জাহির নয় উভয় উভয়কে সহযোগিতা করছি এই মনোভাব নিয়ে ভুল ধরিয়ে দিতে পারেন। সেটা বানান হোক বা বাক্য হোক। অনেক সময় টাইপ মিসিং হয়। পাঠক যদি বিনয়ের সাথে সেই ভুলটা ধরিয়ে দেয় তাহলে লেখক বুঝতে পারবে তার কি ধরনের ভুল হয়েছে। টাইপ মিসিং নাকি সঠিক বানান না জানার ভুল। অনেকে আছে নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করার জন্য সবার লেখাতেই বানান ভুল ধরে থাকেন। যে বানানটাকে সারা জীবন যিনি শুদ্ধ জেনে আসছেন সে বানানটাকে তিনি ভুল বলছেন। এটা মোটেও উচিত নয়।

  • প্রহেলিকা বলেছেন:

    চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন, আপনি বলেছেন “দেখা যাবে যে, ‘পরিমিত ভাষাজ্ঞান’ অর্জনের সময়ই লেখকের হয় নি, অথবা পেশাগত কারণে সেদিকে বেশিদূর হাঁটতে পারেন নি। কিন্তু আমি একটি তুচ্ছ ভুল ধরে, তার লেখার স্পৃহাকে নষ্ট করে দিলাম অথবা আত্মবিশ্বাসকে বেলুনের মতো ফুটো করে দিলাম।”

    আপনার এই কথা বলার পর আর কোন কিছুই বলার থাকে না কারণ আপনি শেকড় পর্যন্ত পৌঁছে গেছেন। সম্পূর্ণ সহমত আপনার সাথে। পারষ্পারিক সহযোগিতার আবডালে একটি লেখকের (হোক সে আনাড়ি) স্পৃহা যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেই দিকে নজর রাখাটা অনেক প্রয়োজন। অনেক সময় টাইপিং জাতীয় একটি ভুলের জন্য অনেকে কটুবাক্য ছুড়ে দেন যা ঠিক না। কিছুদিন পূর্বে এক ব্লগারের একটি লেখায় কিছু বানান ভুলের কারণে এক বিশিষ্ট পণ্ডিত মন্তব্য করলেন যে, “আপনার ভুল বানান দেখে আমি অনেক বিরক্ত হয়েছি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত।” সেদিন থেকে সেই সদ্য কলম ধরা লেখকের লেখা আর পোষ্ট হয়নি কোন ব্লগেই। ফেবুতে ব্যক্তিগতভাবে তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে উত্তর দিলো, ” ভাই আমার পিসি নেই মোবাইল থেকেই পোষ্ট লিখি ব্লগে পোষ্ট করি, তাই অনেক জানা বানানও ভুল হয়। নিজের কাছেই লজ্জা লাগে।” লক্ষ্য করলে দেখবেন মোবাইল থেকে “দূর” আর “দুর” এই দুটোর মাঝে পার্থক্য জুম করে না দেখলে খুঁজে পাওয়া যায় না। কোন পণ্ডিতের একটি কটুমন্তব্য একজন উঠতি লেখকের জন্য বিপদজনক মনে হয়।

    হ্যা আমার নিজেরও অনেক অনেক বানান ভুল হয় তাই বলে যদি কটুকথা শুনতে হয় তাহলে আমার এসবের দরকার নেই। তবে এটি আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে যে একজন লেখক কখনোই ইচ্ছেকৃতভাবে বানানভুল করে না।

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় পোষ্টির জন্য। অনেক ভালো থাকুন।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      কটুকথা ছাড়া অনেকে জানেনও না! এ হলো আমাদের দৈন্যতা।

      আপনার দৃষ্টান্তগুলো পড়লাম।

      ব্লগে নবীন লেখক বেশি। তাই মন্তব্য করা উচিত দায়িত্বের সাথে।

      আমারও বানান ভুল হয়। এলেখায়ও বেশি কিছু ভুল হয়তো পাবেন।

      প্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্ত দিয়ে আলোচনায় যুক্ত হবার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, প্রহেলিকা:)

      শুভেচ্ছা জানবেন!

  • হামিদ বলেছেন:

    ১. বানান ভুল ধরার কিছু নাই। এটা যখন প্রয়োজন হবে লেখক নিজেই সময় করে দেখে ঠিক করে নিতে পারবেন।

    ২. বিতর্কিত বানানের ক্ষেত্রে নিজের মতটা চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করা একটা সভ্যতা বিবর্জিত কাজ।

    ৩. হ্যাঁ, যাদের সাথে ব্যাক্তিগত ভাল সম্পর্ক্ আছে তাদের বানানাট ঠিক করে দেয়াই যায়।

  • নীলসাধু বলেছেন:

    শুভেচ্ছা সুপ্রিয় ভ্রাতা!

    পোষ্টটি নিঃসন্দেহে মূল্যবান। ওজনদার অনেক কথা আছে পোষ্টে।
    সহ ব্লগারদের চমৎকার অংশগ্রহণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য আরও বেশী মূল্যবান।
    একটি পোষ্ট সবাই আগ্রহ নিয়ে পড়লে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মন্তব্য আদান প্রদান করলে সেই পোষ্টটি সত্যিকার অর্থে সফল এবং স্বার্থক হয়ে উঠে- এই পোষ্টটি তার প্রমাণ।
    ব্লগিং তখন শুধু নিছক ব্লগিং থাকে না হয়ে উঠে তার চেয়ে কিছুটা বেশী।

    শুভেচ্ছা নিরন্তর জানবেন।
    পোষ্ট
    মন্তব্যে ভুল ধরা বা
    কিভাবে কি করা যায়
    কি করলে ভালো হবে সে সব আলাপে গেলাম না।
    আমি এসব এড়িয়ে চলি ভ্রাতা!;);)

  • একজন প্রকৃত লেখকের কাজ নিজের লেখালেখি করা। অন্যের খুঁত খোঁজা নয়।
    চলমান সময়ের অনেকেই বানান বিষয়ে অর্ধজ্ঞাত- না হয় অজ্ঞ। এরা অভিধান দেখেন
    না। দৌড়ের উপ্রে কবি লেখক বনে যেতে চান। তাই তাদের লেখা নিয়ে মন্তব‌্য করাও
    কঠিন কাজ। এদের অনেকেই পড়াশোনা করেন না। কবিতার,সাহিত্যের,গদ্যের বিবর্তন
    কীভাবে হচ্ছে- তা তারা জানেন না, জানতে চান না।
    এই অবস্থায়, কেউ টিউটোরিয়াল খুলে কি কাউকে শিখাতে পারবেন ? না পারবেন না ।
    যদি নিজে কেউ অধ্যবসায়ী না হয়, অন্য কেউ কাউকে কিছু গিলাতে পারবে না।
    শুভেচ্ছা সবাইকে।

  • আরজু মুন জারিন বলেছেন:

    অসাধারন পোষ্ট।আপনি সবসময় গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট করেন।আপনি নিখূত বানান,শব্দের প্রয়োগে দক্ষ।আপনি ভূল ধরে দিলে বা শুদ্ধ করিয়ে দিলে কেও কিছু মনে করবেনা মইনুল ভাই।আমরা আপনার আন্তরিকতা টুকু বুঝতে পারি।

    আমার লেখা দিয়ে শুরু করুন।আমার বানানে সবাই ভূল ধরে।আপনি এখন ও ধরেন নি।আমার একটা প্রবলেম হচ্ছে ইদানীং বানানে।বানান ভূলে যাচ্ছি মনে হয়।লজ্জা!!

    চমৎকার পোষ্টটিতে কোটি কোটি লাইক।

    শুভেচ্ছা রইল।ভাল থাকবেন।

  • এই মেঘ এই রোদ্দুর বলেছেন:

    ১০২ বার ভুল ধরবেন ভুল না ধরলে শিখুম ক্যামনে।

    অসাধারণ পোষ্ট অনেক ভাল লাগা

  • আমার ভুল কেউ ধরলে আমি খুশি হই বা হবো। শুভেচ্ছা মইনুল ভাই।

    • মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

      ভাইজান…. ধরার মতো ভুল ক’জনের হয়?
      তাছাড়া, সেরকমের ভুল বুঝতেও কিছু তাকত লাগে, যেটা আমার মতো অনেকেরই নাই।

      কিন্তু ‘ভুল’ বিষয়ে আপনার উদারতায় আমি আনন্দিত….
      মালেক জমাদ্দার ভাইকে অনেক ধন্যবাদ!

  • লিনা জামবিল বলেছেন:

    আমরা যারা লিখি পড়ি আর মন্তব্য করি আমাদের মানসিকতা এমন হওয়া উচিত যে আমার ভুল যত ধরিয়ে দিবে তত আমি ভুল আর করবোনা ভবিষ্যতে। সচেতনের মাত্র বেড়ে যাবে তবে এখানে যে ইস্যুগুলো তুলে ধরা হয়েছে সেটা খুবই জরুরী ইস্যু — অনেক তথ্যবহুল আর শেখারও –অনেক অনেক শুভেচ্ছা

  • রুদ্র আমিন বলেছেন:

    অন্যের কথা বলতে পারি না, অনেকে এটা সহজে গ্রহণ করে না কিন্তু আমি মূর্খ মানুষ আমি শিখতে চাই। আমি নিজের কথা বলতে পারি শুধুই। আমার লেখা ভুল থাকলে সেগুলো ধরিয়ে দিলে আমি উপকৃত হবো ভাই। আমি শিখতে চাই।
    অতীতের ভুলগুলো আজ শুধুই তাড়া করে
    সময় আর নেই,
    অতীত তাই বর্তমানকে ধিক্কার জানায় আপন মনে
    আরও আপনাকে হারাই।

  • মাহমুদ০০৭ বলেছেন:

    সবকিছু ডেল কার্নেগী স্টাইলে হ্যান্ডল করতে হবে;)
    পোস্টের সাথে একমত ।
    ভাল থাকবেন প্রিয় মাইনুল ভাই:)

  • কামরুন্নাহার বলেছেন:

    আপনার মূল্যবান এই লেখাটির প্রতিটি চরণই উদ্ধৃত করার দাবি রাখে। ///ভুল ধরবো
    নাকি ধরবো না?/// আপনার এই প্রশ্নের পরে, দয়া কর আপনি আবারো প্রশ্ন রাখুন,” সংশোধিত ভুল গ্রহনের মানষিকতা আছে কি নেই?”

    নীল সাধু ভাই-এর কল্যাণে গত দু’বছরে “প্রিয় চিঠি আয়োজনের”- মাধ্যমে অনেক শিক্ষা হয়েছে আমার। একজন প্রতিষ্ঠিত ব্লগার/লেখকের সাধারন একটি ভুল সংশোধন করেছিলাম। তাও করতাম না, যদি না তিনি সে ভুল আবারো না করতেন। একটি শব্দ তিনি তিন/চার বার ব্যবহার করেছিলেন, যার প্রতিটাই ভুল ছিল। বার্তার মাধ্যমে তাঁকে আমি জানিয়েছিলাম এবং তাও প্রতিষ্ঠিত আরেক লেখকের উক্তি দিয়ে। তার জবাবে তিনি মূল পোষ্টেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।

    তাই ভুল শংশোধন আর আমাকে দিয়ে হবে না (আমার থলিতেই ভুলের বেড়ালের অবাধ বিচরন)।

========================================================

লেখাটি ঘুড়ি ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানা্ন্তরিত।

========================================================

ব্লাড সার্কুলেশন এবং ব্লগ সঞ্চালন: প্রথম আলো ব্লগ

ব্লাড সার্কুলেশন এবং ব্লগ সঞ্চালন

সরকার সম্প্রতি সঞ্চয়কে নিরুৎসাহিত করছে। সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক সেভিংস বা এফডিআর ইত্যাদিতে সুদ কমিয়ে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিভাগে সম্পৃক্ত থাকার ফলে সরকারের আর্থিক স্বভাবটি বুঝার চেষ্টা করছি। সঞ্চয়কে নিয়ন্ত্রণ করার কারণটি খুব সহজে অনুমান করা যায়। উন্নত অর্থনীতির ভিত্তি ‘অর্থের সঞ্চয়’ নয় – অর্থের নিয়মিত চলাচল।

মানুষের স্বাভাবিক সুস্থতার রাসায়নিক পরিমাপক হলো, তার রক্ত সঞ্চালনা বা ব্লাড সার্কুলেশন। এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেকোন কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ আর বেশিক্ষণ জীবিত থাকতে পারে না। নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর দিকে নুইয়ে পড়ে। রক্ত সঞ্চালনা স্বাভাবিক রাখার জন্য মানুষ কতকিছু করে, কতকিছুই খায়! একই স্থানে একই পোস্চারে বসে থাকলে শরীরের নির্দিষ্ট অংশটি অবশ হয়ে আসে। এর কারণ হলো, রক্ত সঞ্চালনা বন্ধ হয়ে আসা।

ঠিক সেইভাবে একটি পাবলিক ব্লগসাইটের স্বাভাবিক তৎপরতা ধরে রাখে এর নিয়মিত পরিবর্তন অর্থাৎ নিয়মিত সঞ্চালনা। সঞ্চালক নামটির সাথেই ‘গতিশীলতার বিষয়টি’ জড়িয়ে আছে।

সঞ্চালনা হতে পারে যান্ত্রিক/ অটোমেডেট
সঞ্চালনা হতে পারে মানুষ পরিচালিত/ হিউম্যান অপারেটেড

অটোমেটেড মডারেশন দ্বারা ব্লগারদের পোস্টগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে, অনেক সময় আপত্তিকর লেখা প্রকাশ হয়ে যেতে পারে। বেশি বিপদজনক কিছু হয়ে গেলে, দিনের/সপ্তাহের একটি সময় হিউম্যান মডারেটর এসে শুধু চেক করে গেলেই হয়। সাধারণত, ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয়ভাবে আপত্তিকর পোস্ট বন্ধ রাখার জন্য কিছু ‘প্রতীকী শব্দ’ তালিকাভুক্ত করে রাখা যায়। যেসব পোস্টে শব্দগুলো থাকবে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আটকে থাকবে অথবা নির্বাচিত কলামে যাবে। এক্ষেত্রেও যদি কোন ভালো পোস্ট আটকে থাকে অথবা খারাপ পোস্ট প্রকাশিত হয়, নির্দিষ্ট সময়ের হিউম্যান মডারেটর এসে সেগুলোকে সুধরে দিতে পারেন। নিয়মিত আপগ্রেড করতে থাকলে সিস্টেম বুদ্ধিমান হয়ে ওঠে: ভুলগুলো এক সময় কমে আসে।

হিউম্যান মডারেশন কঠিন, অনিয়মিত এবং ত্রুটিযুক্ত। মানুষ দ্বারা পরিচালিত কোন কিছুই ত্রুটিমুক্ত এবং নিয়মিত হতে পারে না। ‘মানুষ মাত্রই ভুল’ কথাটি দিয়েই বুঝা যায় মানুষের ক্ষমতা কত সীমিত। তার পক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর পোস্ট প্রকাশ করা অসম্ভব না হলেও কঠিন। লেখার মান অনুযায়ি নির্বাচিত কলামে দেওয়া অথবা স্টিকি করার কাজটি হিউম্যান মডারেটরের মাধ্যমে হতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র বিশেষ লেখাকে নির্বাচন করার জন্য একজন মানুষ এসে সঞ্চালনার কাজটি করে যেতে পারেন। তবে একাজটিও অটোমেটেড মডারেশন দ্বারা করা যায় এবং করা হয়।

নিয়মিত সঞ্চালনার কাজটি এত জটিল নয় – মাত্র দু’চারটি বিষয় এর সাথে জড়িত। মাত্র ৪টি বিষয়ের নিয়মিত সুপারভিশন একটি ব্লগসাইটকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

১. নিয়মিতভাবে ব্লগ পোস্টগুলো প্রকাশিত হবে
২. দিনের/সপ্তাহের বিশেষ কোন পোস্ট স্টিকি হবে
৩. কোন পোস্টকে কিছু দিন/সময় পর্যন্ত দৃষ্টিআকর্ষণে রাখার জন্য নির্বাচিত কলামে রাখা
৪. অবাঞ্চিত/ নিয়মবহির্ভূত পোস্ট বাতিল হবে

অভ্যন্তরীণভাবে আরও অনেক বিষয় জড়িত আছে। কিন্তু আম-ব্লগারদের দৃষ্টিতে সঞ্চালনার বিষয়টি এতটুকুতেই সীমাবদ্ধ। উপরোক্ত চারটি কাজ নিয়মিত হতে থাকলে ব্লগার বা প্রদায়করা স্বাভাবিক মাত্রায় লেখতে থাকেন এবং পোস্ট প্রকাশ করতে থাকেন। অন্যের লেখায় মন্তব্য দেবার বিষয়টিও এর ওপরেই নির্ভরশীল। সেরা মন্তব্যকারীকে স্বীকৃতি দেবারও প্রয়োজন নেই, অথবা সৃজনশীল লেখা প্রতিযোগিতারও প্রয়োজন নেই। সঞ্চালক মাত্র চারটি দায়িত্ব নিয়মিতভাবে করে যেতে পারলে, ব্লগে তৎপরতা বাড়বে এবং ব্লগে হিট বাড়বে।

একাজগুলো নিয়মিত না হলেই ব্লগের গতি কমে আসে। ঝিমিয়ে পড়ে। গতিহীন হয়ে পড়ে। ব্লগার/প্রদায়করা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েন। নবীন লেখকরা প্রেষণা হারিয়ে ফেলেন: অন্য কিছুতে মনযোগ দেন। আর লেখা দিতে চান না। অথবা আর মন্তব্যও করতে চান না। ব্লগে সচল ব্লগারের সংখ্যা দিন দিন কমতে থাকে। ব্লগার দ্বারাই ব্লগ সাইটের উন্নয়ন। ব্লগারই পাঠক, ব্লগারই হিটদাতা। ব্লগারই ব্লগসাইটের অত্যাবশ্যক অংশ।

.
.
.
.
.
.
[লেখাটি প্রথম আলো ব্লগ থেকে সরাসরি স্থানান্তর করা হয়েছে। ২৮/অগাস্ট/২০১৪]

৬২ টি মন্তব্য
Shahalambadshaশাহ আলম বাদশা১৪ জুন ২০১৪, ২১:২৬

ভালো লিখেছেন কিন্তু লাভ নেই, এ ব্লগ কতোবার বন্ধ হয়েছে আবার চালু হয়েছে যদিও উন্নত হয়নি। দায়সারা চালিয়ে নেয়াই কর্তৃপক্ষের ইচ্ছে সম্ভবত, তাই গণ্ডারের চামড়া পড়েছেন
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৩৩

অনেক ধন্যবাদ, শাহ আলম বাদশা ভাই শুভেচ্ছা জানবেন

Amirhosen2929আমির আসহাব১৫ জুন ২০১৪, ১১:২৭

আমরা হতাশ নই। থাকলেও এক সময় সময়ের প্রয়োজনেই করবে। হাঃ হাঃ হাঃ
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ২০:০৫

ভালো কথা বলেছেন, আমির আসহাব ভাই আমি কোন বিশেষ ব্লগ সম্পর্কে বলি নি।

PulakBiswas67পুলক বিশ্বাস১৪ জুন ২০১৪, ২১:৪০

খুবই গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলোকে আলোকপাত করেছেন মইনুল ভাই। আশা করছি ব্লগ কর্তৃপক্ষ সজাগ হবেন।, কাংখিত ফল আমরা দেখতে পাবো।
অনেক ভালো থাকবেন।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৩৪

পুলক বিশ্বাস ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকুন…
BABLAমোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা১৪ জুন ২০১৪, ২১:৪৫

লেখার মান অনুযায়ি নির্বাচিত কলামে দেওয়া অথবা স্টিকি করা-
এ বিষয়টি এখানে খুব বেশী গুরুত্বের সাথে দেখা হয় বলে মনে হয় না। অনেক দারুন পোস্ট দেখেছি। অনেকের অনুরোধের পর অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচিত কলামে আসেনি। বর্তমানে বক্স এ তাকালে দেখা যাবে। ডিসেম্বর বা জানুয়ারীর পোস্ট শোভা পাচ্ছে। অনেক পোস্টের কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবার পর থেকে যায়। আশা করি মডারেটর বিষয়গুলো দেখবেণ।
মইনুল ভাইয়ের সাথে আরো যোগ করার সুযোগ পেলেই চলে আসবো।
ব্লগরত্ন মইনুল ভাইয়ের জন্য শুভকামনা।
neelsadhuনীল সাধু১৪ জুন ২০১৪, ২১:৫২

লেখার মান অনুযায়ি নির্বাচিত কলামে দেওয়া অথবা স্টিকি করা-
এ বিষয়টি এখানে খুব বেশী গুরুত্বের সাথে দেখা হয় বলে মনে হয় না। অনেক দারুন পোস্ট দেখেছি। অনেকের অনুরোধের পর অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচিত কলামে আসেনি। বর্তমানে বক্স এ তাকালে দেখা যাবে। ডিসেম্বর বা জানুয়ারীর পোস্ট শোভা পাচ্ছে।
সহমত। এসব বিষয়ে আমিও পোষ্ট দিয়েছি। টিকা টিপ্পনি করেছি।
কাজ হয়না

ধন্যবাদ বাবলা ভাই

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৩৬

প্রিয় বাবলা ভাই, আপনার অভিমত সকলেরই অভিমত।অরণ্যেই রোদন করে যাই। সময়ের প্রয়োজনেই ব্লগ ব্যবস্থাপনার মান বাড়বে।

অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

নীলসাধু ভাইকেও অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

sularyআলভী১৪ জুন ২০১৪, ২১:৫০

প্রিয় মইনুল ভাই অনেকদিন পর ব্লগে ঢুকে আপনার চমৎকার এবং সময়োপযোগী লেখা পড়ে ভালো লাগলো। সঞ্চালনার দায়িত্বে যারা আছেন আশা করছি আপনার পোষ্টটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন। চিন্তাশিল এবং গবেষণাধর্মী পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৩৬

আলভী ভাইকে অনেক ধন্যবাদ।
নিয়মিত হতে আর কত দিন ভালো থাকুন…

sularyআলভী১৭ জুন ২০১৪, ১২:৫০

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ২০:০৪

neelsadhuনীল সাধু১৪ জুন ২০১৪, ২১:৫০

১. নিয়মিতভাবে ব্লগ পোস্টগুলো প্রকাশিত হবে
২. দিনের/সপ্তাহের বিশেষ কোন পোস্ট স্টিকি হবে
৩. কোন পোস্টকে কিছু দিন/সময় পর্যন্ত দৃষ্টিআকর্ষণে রাখার জন্য নির্বাচিত কলামে রাখা
৪. অবাঞ্চিত/ নিয়মবহির্ভূত পোস্ট বাতিল হবে
একাজগুলো নিয়মিত না হলেই ব্লগের গতি কমে আসে। ঝিমিয়ে পড়ে। গতিহীন হয়ে পড়ে। ব্লগার/প্রদায়করা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েন। নবীন লেখকরা প্রেষণা হারিয়ে ফেলেন: অন্য কিছুতে মনযোগ দেন। আর লেখা দিতে চান না। অথবা আর মন্তব্যও করতে চান না। ব্লগে সচল ব্লগারের সংখ্যা দিন দিন কমতে থাকে। ব্লগার দ্বারাই ব্লগ সাইটের উন্নয়ন। ব্লগারই পাঠক, ব্লগারই হিটদাতা। ব্লগারই ব্লগসাইটের অত্যাবশ্যক অংশ।

আমরা শুধু এতোটুকুই চেয়েছিলাম

ধন্যবাদ গুরুত্বপুর্ন পোষ্টটির জন্য। ভালবাসা জানবেন ভ্রাতা

shohel121পরানের কথা১৪ জুন ২০১৪, ২২:০৪

সহমত নীলদার সাথে।আমরা শুধু এতোটুকুই চেয়েছিলাম।

এটুকুই চাই।
যেনো পাই।

anindyaantarঅনিন্দ্য অন্তর অপু১৪ জুন ২০১৪, ২২:১০

সহমত
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৪৮

আপনারা তো দীর্ঘদিন ধরে ব্লগিং করছেন, জানেন কখন কীভাবে ব্লগে খরা আসে।
এর চেয়ে খরা বোধ হয় কখনও আসে নি।
এটি কি শুধুই গণজাগরণ আর অগণিত ব্লগসাইটের কারণে?
নিম্নমানের সঞ্চালনা আর বৈষম্যপূর্ণ ব্লগব্যবস্থাপনা কি এর জন্য একটুও দায়ি নয়?বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে আপনাদেরকে সোচ্চার হতে দেখেছি।
আশা করছি, সময়ের দাবিতেই সবকিছুতে উন্নয়ন আসবে…
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, নীলসাধু ভাই

পরানের (কথা) ভাইকে শুভেচ্ছা

শুভেচ্ছা, অনিন্দ্য অন্তর অপু ভাইয়ের জন্য

abdulhaqueমোহাম্মাদ আব্দুলহাক১৪ জুন ২০১৪, ২১:৫২

মানুষ সামাজিক জীব। প্রথম আলো ব্লগ তার প্রমাণ।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৪৯

হাহাহা, যথার্থ বলেছেন, বড়াইছাব
Amirhosen2929আমির আসহাব১৫ জুন ২০১৪, ১১:২৪

aihena039আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম১৪ জুন ২০১৪, ২১:৫৭

মইনুল ভাই, আপনি খুব চমৎকার ভাবে ব্লগ সচল রাখার উদ্দেশ্যে মডারেশন প্রক্রিয়ার অটোমেশন ও ম্যানুয়াল পদ্ধতির গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন। দ্বিমত করার কোন অবকাশ নাই। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো আমরা আম ব্লগাররা নিশ্চিতভাবে অনিশ্চিত যে, এই কথাগুলো যাদের শোনা দরকার, বিবেচনা করা দরকার, তারা শুনবেন কী না বা বিবেচনা করবেন কী না।ধন্যবাদ, মইনুল ভাই।

sularyআলভী১৪ জুন ২০১৪, ২২:০৩

জি বস সাথে আছি।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৫২

//আমরা আম ব্লগাররা নিশ্চিতভাবে অনিশ্চিত যে, এই কথাগুলো যাদের শোনা দরকার, বিবেচনা করা দরকার, তারা শুনবেন কী না বা বিবেচনা করবেন কী না।//প্রথম আলো বদলে যাবার পক্ষের দল
সময়ের প্রয়োজনেই সবকিছুতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

আবুহেনা ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা

প্রিয় আলভী ভাইয়ের জন্য অনেক শুভ কামনা

MirHamidহামি্দ১৪ জুন ২০১৪, ২২:০৩

দায়িত্বহীন সঞ্চালনার উতকৃষ্ট উদাহরণ প্রম আলো্ব্লগ…সুন্দর পোস্ট………

শুভেচ্ছা জানবেন মইনুল ভাই……..

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৫৩

প্রিয় হামিদ ভাইকে মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ
anindyaantarঅনিন্দ্য অন্তর অপু১৪ জুন ২০১৪, ২২:১৩

সেরা মন্তব্যকারীকে স্বীকৃতি দেবারও প্রয়োজন নেই, অথবা সৃজনশীল লেখা প্রতিযোগিতারও প্রয়োজন নেই। সঞ্চালক মাত্র চারটি দায়িত্ব নিয়মিতভাবে করে যেতে পারলে, ব্লগে তৎপরতা বাড়বে এবং ব্লগে হিট বাড়বে। দারুণ বলেছেন— এরকম চিন্তা বা কথা অনেকবার বলা হয়েছে— কিন্তু তাঁদের ঘুম ভাঙেনি । আপনার পোস্ট ওদের ঘুম ভাঙ্গানিয়া গান শোনাবে এই প্রত্যাশা ।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৫৪

//আপনার পোস্ট ওদের ঘুম ভাঙ্গানিয়া গান শোনাবে এই প্রত্যাশা।// প্রথম আলো বদলে দিতে চায়। অতএব নিজেরাও বদলাবে। প্রত্যাশা আমারও

কবি অনিন্দ্য অন্তর অপুকে অনেক ধন্যবাদ

missildhakaভোরের মিছিল১৪ জুন ২০১৪, ২২:৪১

শুভেচ্ছা নিন, অনেক সুন্দর এক্টি আবেদন, আপ্নার সব লেখা গুলো অনেক গুছানো,
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৫৫

ভোরের মিছিল, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যে যুক্ত হবার জন্য
shohel121পরানের কথা১৪ জুন ২০১৪, ২২:৪৭

আমাদের মনের কথাগুলোন খুব সুন্দর করে, প্রাঞ্জল ভাষায় সামনে নিয়ে আসার জন্য প্রিয় মইনুল ভাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি>।১. নিয়মিতভাবে ব্লগ পোস্টগুলো প্রকাশিত হবে
২. দিনের/সপ্তাহের বিশেষ কোন পোস্ট স্টিকি হবে
৩. কোন পোস্টকে কিছু দিন/সময় পর্যন্ত দৃষ্টিআকর্ষণে রাখার জন্য নির্বাচিত কলামে রাখা
৪. অবাঞ্চিত/ নিয়মবহির্ভূত পোস্ট বাতিল হবে

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৫৫

আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা, পরানের (কথা) ভাই শুভ ব্লগিং

AhmedRabbaniআহমেদ রব্বানী১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৫৫

ইদানীং আমিও লেখার আনন্দ হারিয়ে ফেলছি।কখনও পোস্ট দিলে অনেক পরে প্রকাশিত হয়।আবার কখনও বা প্রকাশিত হয়েই চলে যায় অপর পৃষ্ঠায়।এখন দেখি আপনার গুরুত্ববহ বিষয়টি কতৃপক্ষ কতটা আমলে নেয়।ধন্যবাদ প্রিয় মইনুল ভাই।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৪ জুন ২০১৪, ২৩:৫৭

//ইদানীং আমিও লেখার আনন্দ হারিয়ে ফেলছি।কখনও পোস্ট দিলে অনেক পরে প্রকাশিত হয়।// মন্তব্য দিয়ে যুক্ত হবার জন্য অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় আহমেদ রব্বানী ভাই

কবিতা যেন বন্ধ না হয়…
গান যেন ছন্দ না হারায়

mdaminulislam00সুন্দর বাংলাদেশ১৫ জুন ২০১৪, ০১:১১

সাথেই আছি মাঈনউদ্দিন মাইনুল ভাই। আহমেদ রব্বানী ভাইয়ের সাথে একমত। শুধু পোস্ট প্রকাশের বিলম্বের কারনে আসতে মন চায় না। রাতে দিয়ে যাই সকালেও দেখি প্রকাশ হয় না। আর যখন প্রকাশ হয় তখন আমি নেই।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:১৮

//শুধু পোস্ট প্রকাশের বিলম্বের কারনে আসতে মন চায় না। রাতে দিয়ে যাই সকালেও দেখি প্রকাশ হয় না। আর যখন প্রকাশ হয় তখন আমি নেই।// সকলেই এই পরিস্থিতির শিকার…
আশা করছি ক্রমান্বয়ে সমাধান আসবে

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, আমিনুল ভাই

narunabdনাসরিন চৌধুরী১৫ জুন ২০১৪, ০২:৩৩

:পুরো পোষ্টটির সাথেই সহমত ।
কিন্তু আদৌ কি কোন লাভ হয়েছে !!

একটা পোষ্ট দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় যা বড়ই অস্বস্তিকর। মানুষের জীবনে সময়ের দাম আছে। যখন আমার সময় আছে পোষ্ট দিলাম কিন্তু যখন পোষ্ট ছাড়ে আমি ব্যস্ত হয়ে যাই অন্য কাজে –এভাবে কি ব্লগিং হয় !

ধন্যবাদ মইনুল ভাইকে – সময়োপযোগী পোষ্টটি শেয়ার করার জন্য ।-bd

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:১৯

//একটা পোষ্ট দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় যা বড়ই অস্বস্তিকর। মানুষের জীবনে সময়ের দাম আছে। যখন আমার সময় আছে পোষ্ট দিলাম কিন্তু যখন পোষ্ট ছাড়ে আমি ব্যস্ত হয়ে যাই অন্য কাজে –এভাবে কি ব্লগিং হয়!//দেখুক আমাদের সঞ্চালক…
সমাধান হয়তো আসবে… শুধু দেরি হচ্ছে

কবি নাসরিন চৌধুরীকে অনেক শুভেচ্ছা

kamaluddinকামাল উদ্দিন১৫ জুন ২০১৪, ০৭:৪৮

যাদেরকে উদ্দেশ্য করে লিখা ওরা বিষয়টা নিয়ে ভাবলেই হয় ৩. কোন পোস্টকে কিছু দিন/সময় পর্যন্ত দৃষ্টিআকর্ষণে রাখার জন্য নির্বাচিত কলামে রাখা

নির্বাচিত কলামে কিছু পোষ্ট ঝুলে আছে মাসাধিক কাল ধরে, ওখানে আমারো একটা পোষ্ট আছে, অন্যদের কথা বলতে চাই না, আমার নিজের পোষ্টখানা ওখানে দেখতে দেখতে আমি বিরক্ত হয়ে গেছি। নির্বাচিত কলামের পোষ্ট গুলো প্রতি সপ্তাহে পরিবর্তন করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

ধন্যবাদ মইনুল ভাই।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২১

//নির্বাচিত কলামে কিছু পোষ্ট ঝুলে আছে মাসাধিক কাল ধরে, ওখানে আমারো একটা পোষ্ট আছে, অন্যদের কথা বলতে চাই না, আমার নিজের পোষ্টখানা ওখানে দেখতে দেখতে আমি বিরক্ত হয়ে গেছি। নির্বাচিত কলামের পোষ্ট গুলো প্রতি সপ্তাহে পরিবর্তন করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।// আমাদের সঞ্চালকের জন্য হাইলাইট করে রাখলাম…

লাভ নেই – অথবা লাভ আছে। যা ভালো যা বাঞ্ছনীয়, তা লিখে যাচ্ছি শুধু

কামালউদ্দিন ভাইকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা…

monmoyiamritaমন্ময়ী অমৃতা১৫ জুন ২০১৪, ০৮:৩৬

প্রথম-আলো পত্রিকা আর প্রথম-আলোব্লগ কি এক? মানে সম্পাদনায় আনিসুল হোক আর মালিকানায় মতিউর রহমান?
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২৩

আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম, মন্ময়ী অমৃতা ব্লগ এবং পত্রিকার মালিক একই… অন্তত আমি যতদূর জানি।
তবে কারা সম্পাদনা করেন, তা জানি না

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

Mzarin31আরজু মুন জারিন১৫ জুন ২০১৪, ০৯:১৫

ব্লগ সঞ্চালনা বিষয়ক আপনার লিখা সব পরামর্শ প্রয়োজনীয় মনে হল। সুষ্ঠ প্রয়োগে ব্লগ আর ও প্রানবন্ত হবে আশা করছি। ধন্যবাদ মইনুল ভাই ব্লগ সঞ্চালনা সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় টিপস সম্বলিত পোস্ট টির জন্য। শুভেচ্ছা রইল। ভাল থাকবেন।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২৪

আরজু মুন জারিন আপা, মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
shsiddiqueeছাইফুল হুদা ছিদ্দীকি১৫ জুন ২০১৪, ০৯:৩৬

সবমিলে ব্লগ হোক প্রানবন্ত।
ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা অবিরত।
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২৫

//সবমিলে ব্লগ হোক প্রানবন্ত।
ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা অবিরত।//
ভালো বলেছেন, ভাই

nuru07নূর মোহাম্মদ নূরু১৫ জুন ২০১৪, ১০:২৪

সবই অরণ্যে রোদন
সব সুন্দর প্রস্তাব
কিন্তু বাস্তবায়ন
করবে কে?
ধন্যবাদ মাইনুল ভাই
চমৎকার প্রস্তাবনা!!

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২৬

হুম।তবু লেখলাম আমজনতার জন্য

প্রথম আলো ব্লগ কীভাবে উন্নয়ন করবে তাদের বিষয়…

নূরু ভাইকে অনেক ধন্যবাদ…

Amirhosen2929আমির আসহাব১৫ জুন ২০১৪, ১১:২৩

নিয়মিত সঞ্চালনার কাজটি এত জটিল নয় – মাত্র দু’চারটি বিষয় এর সাথে জড়িত। মাত্র ৪টি বিষয়ের নিয়মিত সুপারভিশন একটি ব্লগসাইটকে এগিয়ে নিয়ে যায়।১. নিয়মিতভাবে ব্লগ পোস্টগুলো প্রকাশিত হবে
২. দিনের/সপ্তাহের বিশেষ কোন পোস্ট স্টিকি হবে
৩. কোন পোস্টকে কিছু দিন/সময় পর্যন্ত দৃষ্টিআকর্ষণে রাখার জন্য নির্বাচিত কলামে রাখা
৪. অবাঞ্চিত/ নিয়মবহির্ভূত পোস্ট বাতিল হবে

এ সহমত।

Amirhosen2929আমির আসহাব১৫ জুন ২০১৪, ১১:২৪

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২৭

আমির আসহাব ভাইকে অনেক ধন্যবাদ
Rabbaniরব্বানী চৌধুরী১৫ জুন ২০১৪, ১৪:৪৮

অনেক অনেক ধন্যবাদ মইনুল ভাইচিন্তনীয় প্রস্তাবগুলির জন্য আমার অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে আর সবই প্রশংশনীয়

১. নিয়মিতভাবে ব্লগ পোস্টগুলো প্রকাশিত হবে
২. দিনের/সপ্তাহের বিশেষ কোন পোস্ট স্টিকি হবে
৩. কোন পোস্টকে কিছু দিন/সময় পর্যন্ত দৃষ্টিআকর্ষণে রাখার জন্য নির্বাচিত কলামে রাখা
৪. অবাঞ্চিত/ নিয়মবহির্ভূত পোস্ট বাতিল হবে

তবে আমরা তীর্থের কাকের মত হয়ে থাকলাম।

অনেক অনেক ভালো থাকবেন মইনুল ভাই।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২৯

কোন ব্লগের নাম লিখি নি… ব্লগ কর্তৃপক্ষই ভাবুক তারা কীভাবে ব্লগের উন্নয়ন করবেন।
ব্লগাররা তো স্বেচ্চাসেবী… তাদেরকে মাথা নত করার প্রয়োজন নেই

প্রেরণাদায়ক মন্তব্য দিয়ে সঙ্গ দেবার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় রব্বানী চৌধুরী ভাই

sagar923রফিকুল ইসলাম সাগর১৬ জুন ২০১৪, ০০:২৬

বড় ভাই, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাত করেছেন। লেখার শুরুতে দারুন যুক্তি দাড় করিয়েছেন। একাজগুলো নিয়মিত না হলেই ব্লগের গতি কমে আসে। ঝিমিয়ে পড়ে। গতিহীন হয়ে পড়ে। ব্লগার/প্রদায়করা নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েন। নবীন লেখকরা প্রেষণা হারিয়ে ফেলেন: অন্য কিছুতে মনযোগ দেন। আর লেখা দিতে চান না। অথবা আর মন্তব্যও করতে চান না। ব্লগে সচল ব্লগারের সংখ্যা দিন দিন কমতে থাকে। ব্লগার দ্বারাই ব্লগ সাইটের উন্নয়ন। ব্লগারই পাঠক, ব্লগারই হিটদাতা। ব্লগারই ব্লগসাইটের অত্যাবশ্যক অংশ।

চরম সত্য কথা….

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:৩০

প্রিয় রফিকুল ইসলাম সাগর, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা
diponkar07দীপংকর চন্দ১৬ জুন ২০১৪, ২১:৫৫

১. নিয়মিতভাবে ব্লগ পোস্টগুলো প্রকাশিত হবে
২. দিনের/সপ্তাহের বিশেষ কোন পোস্ট স্টিকি হবে
৩. কোন পোস্টকে কিছু দিন/সময় পর্যন্ত দৃষ্টিআকর্ষণে রাখার জন্য নির্বাচিত কলামে রাখা
৪. অবাঞ্চিত/ নিয়মবহির্ভূত পোস্ট বাতিল হবেঅভ্যন্তরীণভাবে আরও অনেক বিষয় জড়িত আছে।

প্রত্যেকে যার যার আচরণে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিলে হতাশার কিছু নেই সম্ভবত।
জীবনে হাজার ত্রুটি আছে বলেই তো ত্রুটি কাটিয়ে অভিযাত্রা।
আমার বসবাস আশাবাদে।

অনেক অনেক ভালো লাগা। অজানা অনেক বিষয় জানলাম।

শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন। সবসময়।

Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:৩২

//আমার বসবাস আশাবাদে।// আশাবাদী আমিও। কোন ব্লগকে দোষারোপ করে আমি লিখি নি

প্রিয় দীপংকর চন্দ ভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, সুন্দর মন্তব্যের জন্য

kamaluddinকামাল উদ্দিন১৭ জুন ২০১৪, ১৮:৫৯

মইনুল ভাই এই পোষ্ট দেওয়ার পর আজ তিন দিন যাবৎ অনুপস্থিত, ব্যাপার খানা কি
kamaluddinকামাল উদ্দিন১৮ জুন ২০১৪, ১৮:৪৫

আজ চতুর্থ দিন।
kamaluddinকামাল উদ্দিন১৯ জুন ২০১৪, ১৯:২৮

৫ম দিনে বড় ভাইকে দেখা যাচ্ছে
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল১৯ জুন ২০১৪, ১৯:৩৮

হাহাহা, কামাল ভাই! আপনার আন্তরিকতার জুড়ি নাই এত দিন আমার পোস্টে এসে একেকটি মন্তব্য করে আমার দিলডারে কেড়ে নিলেন ভাই
অধমের কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করুন

স্বাভাবিক ব্যস্ততাই ছিলো।
ব্যাপার হলো, ঢাকার বাইরে ছিলাম দু’দিন। আজ সপ্তাহের ব্যস্ততা কাটিয়ে ব্লগে বসলাম।

আগে তো আরও কম আসতাম আলো ব্লগে। কিন্তু আজকাল মায়াটা আবার বেড়ে গেলো।
বারবার আটকে যাই আপনাদের মায়াজালে…
সুযোগ পেলেই ঢুকে পড়ি ব্লগে।

আফসোসের বিষয় হলো: জীবন ব্লগের পরিবেশের মতো এতো বিনোদনময় নয়… সেটাই হলো সমস্যা
আপনি ব্যবসা করেন। তাই আপনার স্বাধীনতাকে আমি অনেক হিংসা করি
ভালো থাকুন স্বাধীন জীবন নিয়ে।

আবারও অনেক ধন্যবাদ, কামাল ভাই

kamaluddinকামাল উদ্দিন২০ জুন ২০১৪, ০৯:৪৮

গুণী ব্লগাররা না থাকলে কেমন জানি পানসে লাগে ব্লগ
Maeenমাঈনউদ্দিন মইনুল২০ জুন ২০১৪, ২১:০৪

Blogging Ideas: ব্লগ লেখার কৌশল

ক] ব্লগ লেখার প্রচলিত বিষয়গুলো

————————————————————————————————————————————–

.

কী নিয়ে ব্লগ লিখবো, এটি একটি অবান্তর প্রশ্ন। বলা উচিত ‘কী উদ্দেশ্যে’ ব্লগিং করবো। উদ্দেশ্য ঠিক করা থাকলে, ব্লগিংএর বিষয় এমনিতেই চলে আসে। সৃজনশীল লেখক/ব্লগাররা তো লেখতে লেখতে আঙ্গুলে ব্যথা করে, তবু তাদের ভাবের নির্গমন শেষ হয় না। সহজ বিষয়ে গুরুগম্ভীর অনুচ্ছেদ না লিখে, সরল উপস্থাপনায় তুলে ধরলাম। উদ্দেশ্য: আড্ডার খোরাক যোগানো।

ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন:

১) ব্যক্তিগত মূল্যবোধ: আপনি যা বিশ্বাস করেন বা মেনে চলেন

২) কোন স্মরণীয় ঘটনা, যা থেকে আপনি অনেক কিছু শিখেছেন, অনেক চেতনা পেয়েছেন

৩) আপনার অনাগত সন্তানকে লক্ষ্য করে একটি চিঠি লিখতে পারেন

৪) কোন খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করে থাকলে, সেটা কীভাবে ত্যাগ করতে পেরেছেন লিখতে পারেন

৫) বাল্যস্মৃতি বা ছোটকালের কোন স্মরণীয় ঘটনা বা দুর্ঘটনা

‘সেরা’ নিয়ে লিখুন: সেরা হয়ে যান

৬) আপনার দেখা সেরা সিনেমা অথবা আপনার পড়া সেরা বইটি/ ব্লগপোস্ট

৭) আপনার চোখে সেরা লেখক/রাজনীতিক/পেশাজীবি/শিক্ষক/ক্রিকেটার/ব্লগার ইত্যাদি

৮) আপনার অভিজ্ঞতায় সেরা অ্যাপস/ওয়েবসাইট/প্রযুক্তি ইত্যাদি

৯) সপ্তাহের আলোচিত সংবাদটি নিয়ে একটি বিশ্লেষণী মন্তব্য লিখতে পারেন

১০) পৃথিবীর সেরা ব্যক্তি/বিষয়টিকে কেন আপনার ‘সেরা’ মনে হয় না, তা নিয়ে লিখুন

.

.

সাক্ষাৎকার বা অনুসন্ধানী লেখা

১১) দেশের ‘পাগলাটে গার্মেন্টস শিল্পটিকে’ কীভাবে বাঁচানো যায়, তা নিয়ে অনুসন্ধান করুন

১২) বিশেষ পেশা বা ব্যতিক্রমী জীবনের কোন ব্যক্তির সঙ্গে অন্তরঙ্গ আলাপে লিপ্ত হোন

১৩) বাংলা ব্লগের সাথে অন্য কোন বিখ্যাত ভাষায় লিখিত পাবলিক ব্লগের সাথে তুলনা খুঁজুন

১৪) চল্লিশ-ঊর্ধ্ব এবং ষাটের নিচের বয়সী নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে কীভাবে সাক্ষরতা দান করা যায় প্রস্তাব লিখুন

১৫) পৃথিবীর উন্নত গণতন্ত্রের দেশগুলো নেতানেত্রীদের আচরণ ও রাজনৈতিক পরিবেশ অনুসন্ধান করে একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ হাজির করতে পারেন

সৃজনশীল লেখা

১৬) আপনার শিক্ষা/কর্মজীবনের মজাদার ব্যক্তিটিকে নিয়ে লিখুন

১৭) প্রবাস জীবনের ব্যতিক্রমী বিষয়গুলো যা স্বদেশে দুষ্প্রাপ্য/অকল্পনীয়

১৮) প্রবাস জীবনের হতাশাগুলো যা স্বদেশে থাকলে ভিন্নরকম হতো

১৯) ঘুনেধরা ও বিপদগ্রস্ত রাজনীতিকে উন্নয়নের দিশা দিন (তবে সাবধানে!)

২০) এসিডদগ্ধ মেয়ে বা অপহৃত শিশুর মানসিক যন্ত্রণাকে তুলে ধরে গল্প

…. এরকম চলতে থাকবে শত থেকে সহস্র পর্যন্ত, অথবা আরও দূরে!

ব্লগিং আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করতে করতে সমাজের অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতির বিষয় মনে পড়ে গেলো। আজ সব লিখলাম না। আমার মনে হয় এবিষয়ে আড্ডা হতে পারে সহব্লগারদের মধ্যে। তুমুল আড্ডা! ব্লগ পোস্ট হোক বা না হোক, কিছু প্রণিধানযোগ্য বিষয় ওঠে আসবে সকলের সামনে। এবিষয়ে আজ আর বেশি না বলে, সকলের ব্লগারের অংশগ্রহণ কামনা করছি।

.

.

.

খ] স্টিকি পোস্ট কীভাবে লেখবেন?

————————————————————————————————————————————–

.

একটি স্টিকি পোস্ট লেখতে খুব মুনচায়, যেমন মুনচায় রবীন্দ্র সঙ্গীত লেখতে! আইয়ুব আমলে দেশের সুশীল সমাজে রবি বাবুর প্রভাব ‘সইহো’ করতে না পেরে রবীন্দ্র সঙ্গীত লেখার জন্য চাপ আসে বাংলা একাডেমি’র ওপর। তখন জনৈক আব্দুল হাই সাহেব বিনম্র প্রতিবাদে জানালেন, “স্যার, রবীন্দ্র সঙ্গীত তো কেবল রবি বাবুই লেখতে পারবেন। আমি লেখলে তা হবে হাই সঙ্গীত।” স্টিকি পোস্ট লেখা আবার সেরকম কঠিন নয় – ব্লগের গতিধারা বুঝতে পারলে সকলেই তা লিখতে পারেন। অনেক ব্লগার আছেন, তারা নিয়মিত স্টিকি পোস্ট লিখে যাচ্ছেন! (অবশ্য সব লেখাই স্টিকি হয়না!) এখানে লেখকের স্বাধীনতা একটু খর্ব হয় বটে। তবু অনেকেই চান তার লেখাটি ব্লগের ব্যানারের নিচে শোভা পাক। মানসম্মত লেখা হলে গল্প-কবিতাও কি স্টিকি হয়না? হওয়া উচিত। কিন্তু লেখায় কী থাকলে সেই পোস্ট স্টিকি হবে?

প্রশ্ন হলো, ১) স্টিকি পোস্ট লেখবো, নাকি ২) নিজের মতোই লিখে যাবো, স্টিকি হোক বা না হোক?  নিজে দ্বিতীয় শ্রেণীর লেখক হবার কারণে ব্যক্তিগতভাবে আমি দ্বিতীয় তন্ত্রে বিশ্বাসী। তবু ‘প্রথম তন্ত্রে’ যারা একটু সময়ের জন্যও বিশ্বাস করেন, তাদের ‍বিষয়ে এই আলোচনা।

পোস্ট স্টিকি করা বা কোন ‘লেখা নিয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার বিষয়টি’ অনেকাংশেই নির্ভর করে ব্লগ কর্তৃপক্ষের মন-মেজাজ এবং তাদের সম্পাদকীয় নীতিমালার ওপর। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দেশের অধিকাংশ ব্লগেই ‘পোস্ট দৃষ্টি আকর্ষণে নেবার জন্য’ কোন সু্স্পষ্ট/লিখিত নীতিমালা বা স্ট্যান্ডার্ড নেই। তারা অনেকাংশেই বিশেষ দিন,  বিশেষ ব্যক্তি এবং বিশেষ ঘটনাবলীর ওপর ভিত্তি করে লেখায় অনুমোদন দেন। এক্ষেত্রে হয় তারা ব্লগার বা পোস্টদাতা কর্তৃক প্রভাবিত হন, নয়তো নিজেদের খেয়াল-খুশি বা মুখ-চেনা লেখক দ্বারা পরিচালিত হন।

উপরোক্ত পরিস্থিতিতে কীভাবে ‘স্টিকি পোস্ট’ লেখা যায়, সে সম্পর্কে কিছু ‘মনগড়া’ আলোচনা করছি।পাঠক এখানে সম্পূর্ণ দ্বিধাহীনভাবে অংশ নিয়ে মন-খোলা মন্তব্য দিতে পারেন।

১) জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ দিন: এখানে খেয়াল রাখতে হবে দেশের চলমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে কোন্ দিকটি বেশি প্রাসঙ্গিক। অহেতুক তথ্যের পুনরাবৃত্তি কেউ পছন্দ করে না।

২) বিশেষ ব্যক্তির জন্ম/মৃত্যু দিবস: কোন খ্যাতিমান ব্যক্তির মৃত্যু হলে, তখন মৃত্যু দিবসটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মৃত ব্যক্তিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হাস্যকর। তাদের জন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি/ট্রিবিউট জানানোটাই বেশি প্রাসঙ্গিক।

৩) চলমান ঘটনাবলী নিয়ে বিশ্লেষণী লেখা: চলমান ঘটনাবলী নিয়ে বিশ্লেষণ করতে হলে যথেষ্ট পূর্বজ্ঞান থাকা চাই। খবরের কাগজ থেকে কপি-পেইস্ট করলে, সেই পোস্ট কিন্তু স্টিকি হবে না!

৪) চলমান রাজনৈতিক/সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক/রসাত্মক বস্তুনিষ্ট লেখা: রাজনৈতিক বিষয়ে লেখতে গেলে সাবধান! পর্যাপ্ত তথ্য, যুক্তি এবং ঐতিহাসিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে না পারলে ‘জীবনের মতো’ দাগি ব্লগারে রূপান্তরিত হতে হবে।

৫) ব্লগে গুরুত্বপ্রাপ্ত প্রকাশিত লেখাকে বিবেচনায় আনা: সংশ্লিষ্ট ব্লগে কোন্ ধরণের লেখাকে এপর্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, বা বেশি পড়া হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করলে ফায়দা আছে বহুত!

.

.

লেখা স্টিকি করা বা নির্বাচিত কলামে নেবার বিষয়ে ব্লগ কর্তৃপক্ষ যা করতে পারেন

ক) কোন্ লেখা ব্লগ কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেন তা সাধারণ ব্লগারদেরকে বুঝতে দেওয়া।

খ) নির্বাচিত কলামে লেখা দেবার বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা এবং তা প্রকাশ করা।

গ) লেখা স্টিকি করার বিষয়ে যুক্তিসংগত নীতিমালা থাকা এবং তা প্রকাশ করা।

ঘ) মুখ চিনে মুগেরডাল না দেওয়া।

ঙ) নবীন লেখক বা নবাগত ব্লগারকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য ‘উদার’ নীতিমালা থাকা।

বাংলা ভাষায় এমন ব্লগও আছে, যেখানে সঞ্চালকের লেখাই স্টিকি হয়ে থাকে সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে। নির্বাচিত কলামেও থাকে তারই লেখা, অথবা তার কোন নিকাটাত্মীয়ের। একটি ব্লগের চরিত্র এবং এর গতিপথকে বুঝতে পারা যায় তাদের ‘লেখা নির্বাচনের’ নমুনা দেখে। এসব বিষয়ে ব্লগ কর্তৃপক্ষ যত স্বচ্ছ হবে, ব্লগের এগিয়ে চলা হবে ততই মসৃণ। আমি মনে করি, লেখক সত্ত্বার বিকাশ ঘটে অন্তরে-সৃষ্ট প্রেরণা থেকে; কিন্তু ব্লগার সত্ত্বার সৃষ্টিতে সংশ্লিষ্ট ব্লগ কর্তৃপক্ষের কিছুটা হলেও অবদান থাকে – কম হলেও এর প্রভাব অপরিসীম।

.

.

.

————————————————————————————————————————————–

[ ব্লগ লেখার কৌশল সম্পর্কে আরও জানতে ]

*Serious Blogging: উত্তম ব্লগ পোস্ট তৈরিতে ৫টি প্রশ্ন

Serious-blogging-crop

মানুষের ভেতরের অংশটি যেমন কোমল, তেমনি স্পর্শকাতর – এটি সহজেই খুশি হয় আর সামান্য অবহেলায় হয়ে যায় হতাশ। কখনও পোস্ট দিয়ে হতাশ হয়েছেন কি? এমন কি কখনও হয়েছে যে, অনেক যত্ন করে একটি ব্লগ পোস্ট দিলেন, কিন্তু তাতে মাত্র দু’একটি রিসপন্স পেয়েছেন, অথবা একদমই কোন সাড়া মিলে নি? সাধারণভাবে বললে, বেশি রিসপন্স পাওয়া মানেই ভালো লেখা নয়। তবু অনলাইন লেখকেরা যেহেতু পাঠকের একদম কাছাকাছি অবস্থান করছেন, পাঠকের প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে লেখককে অনুপ্রাণিত করে।  ইন্টারএকটিভ পাঠকরা চান তাৎক্ষণিক উপকারিতা। তাই লেখায় ‘উপকার তত্ত্বকে’ খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। অন্য কথায় বলা যায়, একে এড়িয়ে চলা যায়, তবে অস্বীকার করা যায় না।

লেখার মান বৃদ্ধির জন্য ভবিষ্যতে মাত্র ৫টি প্রশ্ন করুন আপনার পরবর্তি পোস্টটি ‘পাবলিশ’ করার পূর্বে। কয়েকটি পোস্টে এরকমভাবে চেক করলে, পরবর্তিতে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে।

পোস্ট দেবার আগে ৫টি প্রশ্ন;

১) পোস্টটিতে একটি কেন্দ্রীয় বিষয় (key point) আছে কি না?

২) পোস্টের লেখা কীভাবে পাঠককে উপকৃত/বিনোদিত/আমোদিত করতে পারে, এবিষয়ে পর্যাপ্ত বিষয়বস্তু আছে কি না?

৩) পোস্টের লেখককে কতটুকু/কীভাবে উপকৃত করতে পারে, এবিষয়ে কোন নির্দেশনা আছে কি না?

৪) পোস্টে লেখা ও তথ্যের বিন্যাস (format) ঠিক আছে কি না?

৫) পোস্টের শিরোনামটি (title) পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো হয়েছে কি না?

.

প্রশ্নগুলো উত্তর যদি মোটামুটি ‘হাঁ’ হয়, তবে ধরে নেওয়া যায়, লেখাটি পাঠকের দৃষ্টিতে পড়বে। এখানে পাঠকের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। পোস্টদাতার প্রকার ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ি পাঠক তার লেখার মান যাচাই করবেন। পোস্টদাতাকে বিষয়গুলো বিবেচনায় আনতে হবে। ভালো লেখার ইচ্ছা থাকলে, সেটি একসময় আয়ত্তে আসেই। অনলাইন লেখক হিসেবে পরিপক্কতা অর্জন করলে স্বাভাবিকভাবেই কিছু কলা-কৌশল আয়ত্তে চলে আসে। বিষয়গুলোকে অভিজ্ঞ ব্লগাররা বিভিন্নভাবে দেখে থাকবেন। নিচে সংক্ষিপ্তভাবে কিছু ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

.

  • একটি কেন্দ্রীয় বিষয় থাকা/ key point: লেখার কেন্দ্রীয় বিষয় ঠিক রাখা আর ‘ঝড়োহাওয়ায় নাওয়ের বাদাম’ ঠিক রাখা একই কথা। দেখা গেলো লিখা শুরু করলেন এক বিষয় নিয়ে, আর লেখা চলতে থাকলো আরেক বিষয় নিয়ে, আবার লেখা শেষ হলো সম্পূর্ণ নতুন আরেকটি বিষয় নিয়ে। তাই কেন্দ্রে থাকার কাজটি কঠিন। আমি তো চিঠি লিখতে গিয়েই কেন্দ্রীয় বিষয় ধরে রাখতে পারি না! মন যে কোথায় গিয়ে ‘রঙের ঘোড়া’ দৌড়ায় তা বুঝা যায় না। মানুষের মনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা বড়ই কঠিন কাজ। তবে লিখিতভাবে কোনকিছু প্রকাশ করতে গেলে কেন্দ্রীয় বিষয় একটি থাকা চাই। পাঠককে বিভ্রান্ত করে কী লাভ? প্রাসঙ্গিকভাবে অন্য বিষয় বা সাব-সেকশন থাকতে পারে, কিন্তু মূল বিষয় থাকা চাই একটি। কেন্দ্রীয় বিষয়টি নিয়েই তৈরি হয় লেখার শিরোনাম।
  • পাঠককে উপকৃত করতে পারা/ food for thought: এটি হলো ‘উপকার তত্ত্বের’ প্রথম ধাপ। ব্লগের ক্ষেত্রে এটি সর্বোচ্চ প্রযোজ্য। সৃজনশীল লেখায় এর ব্যতিক্রম হতে পারে। সাধারণ ব্লগিং ক্ষেত্রে উপকর তত্ত্বটি খেয়াল রাখা দরকার। নিজের চিন্তা ও জীবনাচারণের সরাসরি মার্কেটিং না করে পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি দেখা খুব জরুরি। পাঠক কীভাবে চায়, তাতে গুরুত্ব দিতে হবে। পাঠকের মনে কী প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে, লেখায় তার জবাব তুলে ধরতে হবে।
  • লেখকের নিজস্ব সুবিধা/ writer’s expression: পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখা, তবু লেখকের একটি উদ্দেশ্য আছে। সেই উদ্দেশ্যের বাস্তবায়ন থাকতে হবে। এটি ‘উপকার তত্ত্বের’ দ্বিতীয় ধাপ। কেউ বলবেন এটিই প্রথম হওয়া উচিত। আমার দ্বিমত নেই। নিজের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা, জীবনবোধকে প্রকাশ করে লেখক সেখানে আত্মতৃপ্তি লাভ করেন। অর্থ আসুক বা না আসুক, হৃদয় শুধু আনন্দ সাগরে ভাসুক। নতুবা তা হবে শুধুই সময় আর অর্থের অপচয়। পাঠকের কোন করণীয় থাকলে, তা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক এবং উপযুক্ত ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে।
  • লেখা ও তথ্যের বিন্যাস/ style and format: ছাপানো বই হলে কাজটি প্রেস-ওয়ালাই করতো, কিন্তু অনলাইন লেখককে খেয়াল রাখতে হবে, লেখাটি কমপিউটার স্ক্রিনে দেখতে কেমন দেখাবে। সাব-সেকশনগুলো আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে কিনা, বোল্ড ইটালিক আন্ডারলাইন টিক আছে কিনা, উদ্ধৃতিগুলো দেখানো হয়েছে কিনা, ভাষার ব্যবহার এবং বানান ঠিক আছে কিনা, তথ্যসূত্র সঠিকভাবে দেখানো হয়েছে কিনা ইত্যাদি চেক করেই ‘পাবলিশ’ বাটনে চাপ দিতে হবে।
  • আকর্ষণীয় শিরোনাম/ good title: বিষয়টি কেন্দ্রীয় বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট। লেখার শিরোনাম দেখেই পাঠক ঠিক করবেন, আপনার লেখাটি পড়বেন কি না। অতএব ভালোভাবে চিন্তা করে শিরোনাম নির্ধারণ করুন। লেখার সারবস্তুকে ধরে রাখে তার শিরোনাম – তা না হলে শুধুই বদনাম! শিরোনামকে তাই লেখার সংক্ষিপ্ত সারাংশও বলা চলে। তবে চটকদার শিরোনাম দিয়ে লেখায় তার প্রতিফলন রাখতে না পারলেও উল্টো ফল হয়।  ‘রাণী-কুঠির বাকি ইতিহাস…’ নামটির মধ্যে যেমন আছে আকর্ষন, তেমনি আছে লেখার সারবস্তুর প্রতি ইশারা। মানুষ সহজাতভাবেই বাকি ইতিহাস জানতে চাইবে। পাঠক এখানে ‘স্বামী কেন আসামি’ শিরোনামটিও নিয়ে আসতে পারেন। অথবা ‘আমি যেভাবে ফতুর হলাম…’ এরকম শিরোনামও কম আকর্ষণীয় নয়!

.

প্রিন্ট মাধ্যমের বিষয়টি আলাদা, কিন্তু অনলাইন লেখকের জন্য পাঠক-প্রিয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা। লেখার মান ঠিক রাখার জন্য ‘পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকে’ নিজের ব্লগ পড়া এবং অন্যের ব্লগ দেখা একটি অতি প্রয়োজনীয় সুঅভ্যাস। লেখার তুলনায় পড়ার পরিমাণ কমপক্ষে দ্বিগুন হওয়া উচিত। পড়া ছাড়া লেখার মান বৃদ্ধি করার অন্য কোন উপায় আছে কি না, আমার জানা নেই।

.

মাত্র পাঁচটি বিষয়কে তুলে ধরা হলো। লেখার মান বৃদ্ধি করার জন্য আরও অনেক বিষয়ই থাকতে পারে। কেবল ব্রেইনস্টর্মিং করার জন্য চিন্তার খোরাক হিসেবে তুলে ধরা হলো। আমার চাওয়া হলো ‘পাঠকমুখী লেখার’ জন্য চিন্তার দোয়ার খুলে দেওয়া! তবে এসব বিষয়ে দরকার প্রচুর আড্ডা বা মতবিনিময়। যেমন: উপরোক্ত কোন্ বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, পাঠক তা তুলে ধরতে পারেন। অথবা, আরও কোন বিষয় মনে আসলে, তা মন্তব্যের ঘরে লিখে দিতে পারেন। তাতে ভবিষ্যতের জন্য এবিষয়ে আরও সমৃদ্ধ তথ্য সংগৃহীত হবে।

.

*পুনশ্চ: ১) আমি বলছি সিরিয়াস ব্লগিংয়ের কথা। ক্যাচাল, ফেইসবুকিং বা ‘বিনোদনী’ ব্লগিং সম্পর্কে এখানে কিছু বলা হয় নি। ২) ব্লগিং করে অনেকেই আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে, মান বৃদ্ধি করা এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। আমাদের যুবসম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বর্তমান লেখাটিতে ‘পাঠকমুখী ব্লগিংকে’ বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

.

::::: ব্লগিং নিয়ে অন্যান্য লেখাগুলো:

১)) ৩৯টি ব্লগিং অভিজ্ঞতা

২)) অন্যের পোস্টে সৃজনশীল মন্তব্য দেবার ১০ উপায়

৩)) ২১ রকমের ব্লগার: ব্লগিংয়ের উদ্দেশ্য

৪)) আধুনিক ব্লগারদের ১০টি প্রিয় ভুল